শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৯ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নামাজে রুকু–সিজদার তাসবিহ ভুল হলে করণীয় কি?

অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই সংশয় জাগে—আমার নামাজ কি নষ্ট হয়ে গেল?

তাসবিহ ভুল হলে করণীয়

নামাজের রুকুতে ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’ এবং সিজদায় ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’ পড়া সুন্নত। তবে যদি কেউ ভুলবশত রুকুতে সিজদার তাসবিহ বা সিজদায় রুকুর তাসবিহ পড়ে ফেলে, তবে এতে নামাজ নষ্ট হয় না। এই ভুলের কারণে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয় না।

নবীজি (সা.) রুকু ও সিজদার মধ্যে আল্লাহর প্রশংসামূলক বিভিন্ন বাক্য পড়তেন। যেকোনো ধরনের তাসবিহ রুকু বা সিজদায় পড়লে তা আদায় হয়ে যায়।

Advertisement

রুকু ও সিজদার তাসবিহ পড়ার নিয়ম

১. রুকুর তাসবিহ হলো ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’। অর্থ: ‘আমি আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।’ এটি কমপক্ষে তিনবার পড়া সুন্নত। তবে পাঁচ বা সাতবার পড়া উত্তম। ভুলবশত এক বা দুইবার পড়লেও নামাজ বাতিল হবে না।

২. সিজদার তাসবিহ হলো ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’। অর্থ: ‘আমি আমার সুউচ্চ রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি।’ এটিও কমপক্ষে তিনবার পড়া সুন্নত। তবে পাঁচ বা সাতবার পড়া উত্তম। ভুলবশত এক বা দুইবার পড়লেও নামাজ বাতিল হবে না।

নামাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। রুকু-সিজদার তাসবিহ ভুল হওয়া নামাজের মনোযোগের অভাবকে নির্দেশ করে। তাই আমাদের উচিত নামাজের প্রতিটি তাসবিহ ও রুকন অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে আদায় করা। তবে ভুল হয়ে গেলে বিচলিত না হয়ে নামাজ পূর্ণ করা উচিত, কারণ আল্লাহ দয়ালু ও পরম ক্ষমাশীল।

  • সর্বশেষ