শিরোনাম
◈ আমিও চাই, শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আইনি পথে হাঁটুক: আইনমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ মাদক কারবারির বাড়িতে পুলিশের দেহ তল্লাশি, যা জানা গেল ◈ বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোটের নেতৃত্বে সৌদির আল-শেহরি ◈ কালিয়াকৈরে মেয়ে থেকে ছেলে হলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী ◈ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে: মির্জা ফখরুল ◈ দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ ◈ গাজীপুরে পৌর আ.লীগের সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তার ◈ রফতানিমুখী শিল্পে বড় প্রণোদনা: ১০ নতুন খাতে বন্ড ছাড়াই কাঁচামাল আমদানি, বাতিল হলো ৩০% মূল্য সংযোজনের শর্ত ◈ এআই দিয়ে প্রথমবার তৈরি হলো নতুন ভাইরাস, চিকিৎসায় সম্ভাবনার পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ ◈ দ্য ডিপ্লোম্যাটের বিশ্লেষণ: শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাড়ছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন, নতুন মোড়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৯ সকাল
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নামাজে রুকু–সিজদার তাসবিহ ভুল হলে করণীয় কি?

অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই সংশয় জাগে—আমার নামাজ কি নষ্ট হয়ে গেল?

তাসবিহ ভুল হলে করণীয়

নামাজের রুকুতে ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’ এবং সিজদায় ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’ পড়া সুন্নত। তবে যদি কেউ ভুলবশত রুকুতে সিজদার তাসবিহ বা সিজদায় রুকুর তাসবিহ পড়ে ফেলে, তবে এতে নামাজ নষ্ট হয় না। এই ভুলের কারণে সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয় না।

নবীজি (সা.) রুকু ও সিজদার মধ্যে আল্লাহর প্রশংসামূলক বিভিন্ন বাক্য পড়তেন। যেকোনো ধরনের তাসবিহ রুকু বা সিজদায় পড়লে তা আদায় হয়ে যায়।

রুকু ও সিজদার তাসবিহ পড়ার নিয়ম

১. রুকুর তাসবিহ হলো ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’। অর্থ: ‘আমি আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।’ এটি কমপক্ষে তিনবার পড়া সুন্নত। তবে পাঁচ বা সাতবার পড়া উত্তম। ভুলবশত এক বা দুইবার পড়লেও নামাজ বাতিল হবে না।

২. সিজদার তাসবিহ হলো ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’। অর্থ: ‘আমি আমার সুউচ্চ রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি।’ এটিও কমপক্ষে তিনবার পড়া সুন্নত। তবে পাঁচ বা সাতবার পড়া উত্তম। ভুলবশত এক বা দুইবার পড়লেও নামাজ বাতিল হবে না।

নামাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। রুকু-সিজদার তাসবিহ ভুল হওয়া নামাজের মনোযোগের অভাবকে নির্দেশ করে। তাই আমাদের উচিত নামাজের প্রতিটি তাসবিহ ও রুকন অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে আদায় করা। তবে ভুল হয়ে গেলে বিচলিত না হয়ে নামাজ পূর্ণ করা উচিত, কারণ আল্লাহ দয়ালু ও পরম ক্ষমাশীল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়