শিরোনাম
◈ ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়া চ‌্যা‌ম্পিয়ন ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে দীনেশ ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ, তারেক রহমানকে দিল্লি নিতে ভারতের তৎপরতা! ◈ ‌ফ্রা‌ন্সের বা‌জিমাত, ১৪ মিনিটে বেল‌জিয়াম‌কে দি‌লো চার গোল ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস ◈ লিও‌নেল মেসির মহাকাব্যের শেষ অধ্যায়  ◈ যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ বিস্তার, নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ঘোষণা! ◈ মঞ্চ প্রস্তুত, বিদায়ী ম‌্যাচ রাঙা‌তে আ‌র্জেন্টিনার জা‌র্সিতে মে‌সিও প্রস্তুত, ১০ নম্বর জার্সির নতুন মালিক কে হ‌চ্ছেন? ◈ দুর্গাপূজার ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য যে নতুন নির্দেশনা ◈ ক্রিকে‌টের তিন মোড়‌লের আপত্তিতে বিশ্ব ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে সরে এসে‌ছে আইসিসি ◈ ভারতের গোয়েন্দা বিমান গোপনে ঢুকে পড়েছিল পাকিস্তানে, ৬৫ হাজার ফুট উচ্চতায় ম্যাক ২.৪ গতির সেই রহস্যময় অভিযান!

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ০২:৪১ রাত
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১২:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের চারদিক ঘিরে তৈরি হচ্ছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপিন বলছে, তারা একটি নতুন সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। যে চুক্তিটি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি ও স্বাধীনতা রক্ষা করবে বলে তারা আশা করছে। তবে এই চুক্তির মূলবিষয় হলো, ফিলিপিনের চারটি সামরিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ানের আশেপাশে চীনা তৎপরতার ওপর নজরদারি করতে সক্ষম হবে। বিবিসি

উত্তরে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান থেকে দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত মার্কিন-নেতৃত্বাধীন জোট যে চীন-বিরোধী বলয় সৃষ্টির চেষ্টা করছে তাতে একমাত্র ফাঁক ছিল ফিলিপিন। চীন ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যে সম্ভাব্য সঙ্ঘাতের দু’টি সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর, সীমান্তে রয়েছে ফিলিপিন দ্বীপপুঞ্জ।

এখন এই চুক্তির মাধ্যমে ফিলিপিনের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সৈন্যদের আরো বেশি করে প্রবেশাধিকার দেয়া হবে। গত তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো বিপুল সংখ্যক আমেরিকান সৈন্য তাদের ফ্ল্যাশপয়েন্ট উপনিবেশ ফিলিপিনে ফিরে আসবে। এর প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে চুক্তিটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ওয়াশিংটনে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কর্মসূচির পরিচালক গ্রেগরি বি পোলিং বলেছেন, ‘দক্ষিণ চীন সাগরে এমন কোনো পরিস্থিতি নেই যার জন্য ফিলিপাইনে প্রবেশের প্রয়োজন হবে না। যুক্তরাষ্ট্র কোনো স্থায়ী ঘাঁটি খুঁজছে না। পুরো বিষয়টা কোনো একটি স্থান সম্পর্কে, ঘাঁটি নয়।’

এনহ্যান্সড ডিফেন্স কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট বা ইডিসিএ চুক্তির আওতায় ফিলিপিনের পাঁচটি ঘাঁটিতে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত সংখ্যক প্রবেশাধিকার রয়েছে।

ওয়াশিংটন সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, এখন এসব নতুন ঘাঁটির সংযোজনের এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে ফিলিপিনে মানবিক ও জলবায়ু সম্পর্কিত বিপর্যয়ের জন্য আরো দ্রুত সহায়তার অনুমতি দেবে এবং অন্য চ্যালেঞ্জের প্রতি সাড়া দেয়ার অনুমতি দেবে। যার গোপন মানে হলো এই অঞ্চলে চীনকে মোকাবেলা করা।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বৃহস্পতিবার ম্যানিলায় ফিলিপিনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ বংবং মার্কোস জুনিয়রের সাথে বৈঠক করার পর এই বিবৃতি দেয়া হয়েছে।

ফিলিপিনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘাঁটি কোথায় হবে তা জানা যায়নি, তবে এর মধ্যে তিনটি ফিলিপিনের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ লুজনে হতে পারে। তাইওয়ানের নিকটবর্তী এটাই একমাত্র বড় ভূখণ্ড, যদি চীনকে হিসেবের মধ্যে না আনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র আজকাল এমন সব জায়গায় ঘাঁটি করতে চাইছে যেখান থেকে প্রয়োজন মতো সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রাখা ও নজরদারি চালানোর মতো হালকা এবং নরম ধরনের অভিযান চালানো সম্ভব হবে। কিন্তু যেখানে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়নের প্রয়োজন হবে না।

এমএএস

  • সর্বশেষ