শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক নি‌শ্চিত কর‌লো ◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদারে তাগিদ তারেক রহমানের ◈ জাতিসংঘের কার্যকারিতা ফেরানো ও নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে জোর খলিলুর রহমানের ◈ ঢাকার সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত নয়াদিল্লি ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ভুটান-মালদ্বীপের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক ◈ ইরানকে ‘নরকে ঠেলে’ দেওয়ার হুমকি, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতনের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ সৌদির পুঁজি-প্রযুক্তি, বাংলাদেশের জনশক্তি: নতুন অংশীদারত্বের প্রত্যাশা ◈ মামদানির বাসভবনে ট্রাম্প, রুদ্ধদ্বার বৈঠক ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেলের পর আরও এক সুখবর

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১৯ বিকাল
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়া এখন বড় ব্যবসার সুযোগ বললেন জেলেনস্কি

রাশিদুল ইসলাম: কিয়েভ ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের কাছ থেকে অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা আদায় করতে সমর্থ হয়েছে। তারপরও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলনস্কি মনে করছেন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে আরো অস্ত্র দরকার। তাই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি মার্কিন অস্ত্র কোম্পানিগুলোর কাছে উদাত্ত আহবান জানিয়ে বলেছেন, তার দেশের কাছে অস্ত্র পাঠানো এখন বড় ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি এ আহবান জানান। আরটি

সোমবার ফ্লোরিডার বোকা রাটনে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ স্টেট চেম্বারস সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময়, জেলেনস্কি যুক্তি দিয়ে বলেন, ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র যদি অস্ত্র ব্যবসা করতে পারে তাহলে তা আবার বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জেলেনস্কি বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি এবং ব্ল্যাকরক, জেপি মরগান এবং গোল্ডম্যান শ্যাক্সের মতো আন্তর্জাতিক আর্থিক ও বিনিয়োগ জগতের জায়ান্টদের সাথে সহযোগিতা করেছি। স্টারলিঙ্ক বা ওয়েস্টিংহাউসের মতো মার্কিন ব্র্যান্ডগুলি ইতিমধ্যে আমাদের ইউক্রেনীয় পথের অংশ হয়ে উঠেছে।

জেলেনস্কির মতে, সকল ক্ষেত্রেই ইউক্রেনের সাথে কাজ করে সবাই বড় ব্যবসা আদায় করে নিতে পারে। অস্ত্র, প্রতিরক্ষা থেকে নির্মাণ, যোগাযোগ থেকে কৃষি, পরিবহন থেকে আইটি, ব্যাঙ্ক থেকে ওষুধ পর্যন্ত এধরনের সবকিছুর সুযোগ রয়েছে ইউক্রেন জুড়ে। যদিও ইউক্রেনের একাধিক কর্মকর্তা দুর্নীতি কেলেঙ্কারির মধ্যে বরখাস্ত হয়েছেন। তারপরও কিয়েভের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্র বর্ষণ করেছে তার প্রশংসাও করেছেন জেলেনস্কি। যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে জেলেনস্কি বলেন, দেশটির উজ্জ্বল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের সাথে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে একত্রিত করছে। আমরা দেশপ্রেমিকদের জন্য অপেক্ষা করছি। আমরা আব্রামসকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখছি। এরকম হাজার হাজার উদাহরণ সম্ভব বলে জানান জেলেনস্কি।

পেন্টাগনের অনুমান অনুসারে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২২ সালে ইউক্রেনে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সরবরাহ পাঠিয়েছে। তবে, এর বেশিরভাগই মার্কিন সামরিক মজুদ থেকে এসেছে। প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর লকহিড মার্টিন, রেথিয়ন এবং অন্যান্য নির্মাতাদের কিছু ক্ষয়প্রাপ্ত সরবরাহ পুনরায় পূরণ করতে কয়েক মিলিয়ন মূল্যের চুক্তি প্রদান করেছে। জেলনস্কির অনুমান হচ্ছে চলমান সংঘাত থেকে ইউক্রেন পুনর্গঠনের জন্যে খরচ হবে কমপক্ষে ১ ট্রিলিয়ন।

 

  • সর্বশেষ