শিরোনাম
◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল ◈ লাল কার্ড পে‌লেন ওলিস, ৬ গোলের রোমাঞ্চে বায়ার্ন মিউনিখ‌কে রুখে দিলো ভাইকিং ◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ◈ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ২১ ইউনিটের ৪ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:৩২ বিকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ

 টাইমস অব ইন্ডিয়া: যুক্তরাষ্ট্রে যারা বিভিন্ন কাজ করছেন, তাদের কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের পুরনো ও সহজ নিয়মটি বদলে ফেলা হয়েছে। এতদিন নিয়ম ছিল, কাজের মেয়াদের কাগজ শেষ হয়ে গেলেও নবায়নের আবেদন জমা থাকলে বাড়তি ৫৪০ দিন বা প্রায় দেড় বছর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া যেত। সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে এই দীর্ঘ ছাড় এক ঝটকায় বন্ধ করে দেওয়া হলো।

সোজা কথায়, নতুন এই নিয়ম চালুর পর থেকে আপনার কাজের কাগজের মেয়াদ যে তারিখে শেষ হবে, ঠিক সেই দিন থেকেই আপনি আর কাজ করতে পারবেন না। আপনার নবায়নের কাগজ ইমিগ্রেশন অফিসে ঝুলেই থাকুক কিংবা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকুক—আইন অনুযায়ী আপনি আর কর্মস্থলে যেতে পারবেন না। তার ওপর আবার নতুন করে কাগজ নবায়নের আবেদন করতে চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের আগে সেই ফাইল জমা দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।

ইমিগ্রেশন বিভাগের কাজের ধীরগতির কথা সবারই জানা। একটি ছোট আবেদন নিষ্পত্তি হতেই যেখানে মাস পার হয়ে যায়, সেখানে মাত্র ছয় মাস আগে আবেদন করার সুযোগ মেলায় অনেকেই বিরাট বিপদে পড়বেন। সরকার আবেদন বা বাছাই শেষ করতে না পারায় হাজার হাজার মানুষকে এখন সময়ের আগেই চাকরি হারাতে হবে কিংবা কোনো অপরাধ না করেও হাত গুটিয়ে ঘরে বসে থাকতে হবে।

মার্কিন সরকারের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ অবশ্য বলছে অন্য কথা। তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর কর্মীদের যোগ্যতা বারবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্যই এই নিয়ম কড়া করা হয়েছে। এই নিয়মটি অল্প কিছুদিন পর থেকেই পুরো যুক্তরাষ্ট্রে পুরোদমে কার্যকর হতে যাচ্ছে।

এই নতুন সিদ্ধান্তের কারণে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবেন যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন এবং যারা এইচ-১বি ভিসায় থাকা কর্মীর জীবনসঙ্গী হয়ে এইচ-৪ ভিসায় চাকরি করছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত অভিবাসীদের আবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই নিয়মে কিছুটা বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত সরকারের এই সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে। ফলে সাধারণ অভিবাসী কর্মীদের ভবিষ্যৎ এখন বেশ অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

  • সর্বশেষ