শিরোনাম
◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লিগ, ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড‌কে হারা‌লো অ‌্যাত‌লে‌তি‌কো মা‌দ্রিদ ◈ ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল ◈ ফরিদপুর মেডিকেলে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার সরকারি অর্থের অপচয়! ◈ ইয়ে‌মে‌নের নি‌র্দেশ, সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা খালি করো, রিয়াদে পাল্টা হামলা চালা‌নো হ‌বে ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার চাপে দেশের পোশাকশিল্প: প্রবৃদ্ধির আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি ◈ ইমরান খানের শক্ত ঘাঁটি অবরুদ্ধ করেছে পাকিস্তান, এর ফল উল্টো হতে পারে ◈ ‌চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গে দুর্বার বার্সেলোনা, গোলের বন্যায় জয়যাত্রা অব্যাহত ◈ ‌লি‌লের জা‌লে আর্সেনালের ৩ গোল

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৯ দুপুর
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পুনঃপ্রক্রিয়াজাত হচ্ছে মাত্র ৩ শতাংশ

বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য

বাংলাদেশে ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক পণ্য বা ই-বর্জ্য থেকে প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি ডলার মূল্যের মূল্যবান ধাতু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। তবে বর্জ্য সংগ্রহের দুর্বল ব্যবস্থা ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের সীমিত সক্ষমতার কারণে এই বিপুল সম্পদের বড় অংশই নষ্ট হচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য। সৌজন্যে : টিবিএস

অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালিত পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের প্রায় ৯৭ শতাংশই আনুষ্ঠানিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

২০১৭ সালের ওই গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের মাত্র ৩ শতাংশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা হতো। ফলে বিপজ্জনক বর্জ্যের পাশাপাশি সোনা, রুপা, তামা ও টিনের মতো মূল্যবান ধাতুও পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না।

বুয়েটের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের গবেষণায় দেখা গেছে, এক টন পরিত্যক্ত র‍্যাম (RAM) থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ গ্রাম সোনা পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া পরীক্ষাগারে বিশেষ প্রক্রিয়ায় ই-বর্জ্য থেকে ৯৯ শতাংশের বেশি তামা, ৯৪ শতাংশের বেশি রুপা এবং প্রায় ৮৬ শতাংশ টিন পুনরুদ্ধার করা যায়।

Advertisement

তবে এসব মূল্যবান ধাতু বড় পরিসরে পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাংলাদেশে এখনো গড়ে ওঠেনি।

২০১৮ সালে দেশে প্রায় ৪ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছিল। প্রতিবছর এই বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। বুয়েটের গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশে বছরে ই-বর্জ্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪৬ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছাবে।

সাভারে অবস্থিত ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা জেআর রিসাইক্লিং সলিউশনের মালিক এম এ হোসেন বলেন, পরিবেশগত বিধিবিধান মেনে একটি ই-বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করতে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন। পাশà