আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিক্স সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ইতিমধ্যে বেজিং থেকে রওনাও দিয়ে দিয়েছেন তিনি। শনিবার বেলা ১২টা ২৫ মিনিট নাগাদ তাঁর দিল্লিতে নামার কথা। তার আগেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলল চিন। বিশেষ বার্তা দেওয়া হল দুই দেশের মতপার্থক্য নিয়েও।
ব্রিক্স সম্মেলনের মাঝেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন জিনপিং। শনিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে সেই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং শুক্রবার রাতে সমাজমাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছেন। লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং প্রেসিডেন্ট জিনপিঙের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। এই নিয়ে পর পর তিন বছর দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাৎ হল। এর আগে কাজান এবং তিয়ানজিনে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। --- আনন্দবাজার
ভারত ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘‘জিনপিং ও মোদীর কৌশলগত নির্দেশনায় চিন, ভারত মিলেমিশে কাজ করবে। দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাব আমরা। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ এবং সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’’ মতপার্থক্য হলে তা সামাল দেওয়ার বার্তাও দিয়েছেন চিনা রাষ্ট্রদূত। লিখেছেন, ‘‘মতপার্থক্যগুলি যথাযথ ভাবে আমরা সামাল দেব। এ ভাবেই চিন এবং ভারতের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে। একে অপরের সাফল্যে আমরা সহযোগী হয়ে উঠব।
২০১৯ সালে শেষ বার ভারতে এসেছিলেন জিনপিং। তার পরেই ২০২০-তে লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনাবাহিনী সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তাকে কেন্দ্র করে মাসের পর মাস দুই দেশের সম্পর্ক ছিল তলানিতে। তবে ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে। দু’বার জিনপিঙের সঙ্গে দেখা করেছেন মোদী। তবে চিনের প্রেসিডেন্ট ভারত সফরে আসছেন সাত বছর পর।
ব্রিক্স সম্মেলন চলবে রবিবার পর্যন্ত। তাতে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানও। মোদীর সঙ্গে তাঁদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়ে গিয়েছে। জিনপিঙের সঙ্গে শনিবার বিকেলের বৈঠক নিয়েও নানা মহলে কৌতূহল রয়েছে।