শিরোনাম
◈ ডিসেম্বরে পোশাকশ্রমিকদের বর্ধিত মজুরি চূড়ান্ত হবে, জানুয়ারিতে পাবেন বাড়তি বেতন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে চাপে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত, ঝুঁকিতে ফ্লাইট ও প্রবাসী যাত্রী পরিবহন ◈ বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টিকিটের আবেদন ৮৪ লাখ, আসন মাত্র ৩৪ হাজার ◈ সাভারে ফের পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় ডেমোক্র্যাটদের, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাল ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ◈ মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-অটোরিকশার মু‌খোমু‌খি সংঘর্ষ, ৪ জ‌নের মৃত‌্যু ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস‌্যু‌তে ম‌তের অ‌মিল, জোটে থেকেই জামায়াতকে চাপে রাখতে চায় এনসিপি ◈ এশিয়া কাপের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা কর‌লো বি‌সি‌বি ◈ আতলেতিকোর মাঠে বায়ার্ন মিউনি‌খের দুই গোলের জয় ◈ দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও জয় পে‌লো ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড

প্রকাশিত : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘এমন উদ্ধার অভিযান বিশ্বে আগে ঘটেনি’ : বিশেষজ্ঞ

নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গ থেকে দুই কর্মীর জীবিত উদ্ধারকে ‘অসাধারণ’ ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন সুড়ঙ্গ উদ্ধার বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স। তার মতে, বিশ্বে এমন উদ্ধার অভিযান আগে হয়নি।

সিডনি থেকে অনলাইনে উদ্ধারকাজে পরামর্শ দেওয়া ডিক্স বলেন, এটি উদ্ধারকারী দলের বিশাল জয়। দুই জনকে জীবিত বের করে আনা অসাধারণ ঘটনা। ২০২৩ সালে ভারতের উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গ উদ্ধার অভিযানে ভূমিকার জন্য তিনি পরিচিতি পান।

২৬ আগস্ট নেপালের রাসুয়া এলাকায় ভোতে কোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গটি আটকে যায়। এতে ভেতরে কর্মীরা আটকা পড়েন। এরপর নেপাল সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা পাথর ও কাদা সরিয়ে তাদের খুঁজতে থাকেন।

ডিক্স বলেন, এই উদ্ধার অভিযান বিশ্বে প্রথম। একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হওয়ার পর একসঙ্গে কয়েকটি সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান চালানোর ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। বিশ্বে এমন কাজ আগে হয়নি।

Advertisement

তার ধারণা, বন্যার পানি বাড়তে থাকায় কর্মীরা সুড়ঙ্গ দিয়ে পাহাড়ের দিকে ছুটে যান। তাদের পেছনে ছিল পানি, পাথর, পলি ও কাদা। একপর্যায়ে পাথর ও ধ্বংসাবশেষ সুড়ঙ্গের পথ বন্ধ করে দেয়। এতে কর্মীরা আটকা পড়লেও একই সঙ্গে তারা পানিতে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান।

ডিক্স বলেন, গাড়ির আকারের পাথর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সরাতে হয়েছে। সুড়ঙ্গ উদ্ধারে এমন কাজ আমরা আগে কখনও করিনি।

উদ্ধার হওয়া দুই কর্মী ১০ দিন আলোবিহীন অবস্থায় ভেতরে থাকা পানি ও খাবারের ওপর নির্ভর করে বেঁচে ছিলেন। ডিক্স বলেন, বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম ছিল। এর বড় অংশই বেঁচে থাকার ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে।

তিনি জানান, উদ্ধারকারীরা সুড়ঙ্গ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে এমন কিছু এলাকা চিহ্নিত করেছিলেন, যেখানে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। দুই কর্মী জীবিত উদ্ধারের পর সেই ধারণা সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।

ডিক্স বলেন, এখন আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে নিচে এমন কিছু জায়গা রয়েছে, যেখানে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। এখন আমরা আরও মানুষকে খুঁজতে পারি।

এই সুড়ঙ্গে আরও অন্তত ৩৫ জন কর্মী আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নদী উপত্যকার ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এখনও প্রায় ১৫০ কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান চলছে।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ