শিরোনাম
◈ বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টিকিটের আবেদন ৮৪ লাখ, আসন মাত্র ৩৪ হাজার ◈ সাভারে ফের পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় ডেমোক্র্যাটদের, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাল ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ◈ মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-অটোরিকশার মু‌খোমু‌খি সংঘর্ষ, ৪ জ‌নের মৃত‌্যু ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস‌্যু‌তে ম‌তের অ‌মিল, জোটে থেকেই জামায়াতকে চাপে রাখতে চায় এনসিপি ◈ এশিয়া কাপের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা কর‌লো বি‌সি‌বি ◈ আতলেতিকোর মাঠে বায়ার্ন মিউনি‌খের দুই গোলের জয় ◈ দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও জয় পে‌লো ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড ◈ শ্রমিক বিক্ষোভের শঙ্কায় গাজীপুরে ২৫ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ◈ ১৬ মিনিটেই চার গোল, ভিয়ারেয়ালকে ৬-০ গোলে হারা‌লো পিএসজি

প্রকাশিত : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০২ দুপুর
আপডেট : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইস‌্যু‌তে ম‌তের অ‌মিল, জোটে থেকেই জামায়াতকে চাপে রাখতে চায় এনসিপি

ডেস্ক রি‌পোর্ট: ১১ দলীয় জোটে থেকেই বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে শরিক দলগুলো। শরিকরা স্থানীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে প্রার্থী দিতে চাইলেও জামায়াত সেদিকে হাঁটছে না। জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের একলা চলো নীতিতে নাখোশ। ইতিমধ্যেই এনসিপি নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে সেই আভাস পাওয়া গেছে। তবে এই বিরোধের বিষয়টি সরাসরি কেউ স্বীকার না করলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রার্থী দেওয়ার পর দল দুটির মধ্যে দূরত্ব আরও বেড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ইস্যুতে জামায়াত-এনসিপির মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। এমনকি ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের পথসভায় জামায়াত আমিরকে সামনে বসিয়েই দলটির সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন এনসিপির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, যা নিয়ে উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তা ছাড়া সর্বশেষ লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এনসিপির অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও দলটির নেতারা বলছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কিছু লেট করায় উদ্বোধনী সমাবেশে অংশ নিতে পারেননি। --- সূত্র, দেশরূপান্তর

এদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ কওমি ঘরানার সাত ইসলামি দলের জোট ঘোষণা হওয়ায় ১১ দলীয় জোটের ওপর এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। হেফাজতে ইসলামসহ বেশ কয়েকটি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ কয়েকটি দলকে ১১ দলীয় জোট ছাড়তে চাপ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, কোনো ষড়যন্ত্রে পা না দিয়ে জোটের ঐক্য অটুট রাখবেন।

সংসদ ও রাজপথে বিরোধীদলীয় ঐক্য অক্ষুন্ন রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দিলে এ জোটের মধ্যে ফাটল দেখা দেওয়ার আশঙ্কাও করছেন অনেকেই। এ ক্ষেত্রে শরিকদের পক্ষ থেকে সমঝোতার চাপ থকলেও জামায়াত অনেকটাই একলা চল নীতি অবলম্বন করছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী সমঝোতা নিয়ে নতুন করে দর-কষাকষির চেষ্টা করে যাচ্ছেন দলগুলোর নেতারা।

Advertisement

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আমরা একসঙ্গে আছি, একসঙ্গে কাজ করছি। আমাদের ঐক্য অটুট আছে। এখনে কোনো ভুল বোঝাবোঝির সৃষ্টি হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন যেহেতু দলীয় প্রতীকে হয় না, তাই আমাদের সিদ্ধন্তই ছিল সব দল নিজেদের মতো করেই অংশ নেবে। কিন্তু সরকার এখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারেনি। কোনো জায়াগায় জোটগতভাবে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে কেন্দ্রীয় নেতারা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

কথা হয় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলমের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট হয়েছিল এবং সংসদে বিরোধীদলীয় জোট হিসেবে দুই দল একসঙ্গে কাজ করছে। সেই জোট চলমান থাকবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দুই দল আলাদাভাবে লড়বে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির প্রার্থীরা কোনো সমঝোতা বা ছাড় দেওয়ার জন্য নয় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জোটের একাধিক সূত্র বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আসন সমঝোতার আলোচনা থেকেই টানাপড়েনের সূত্রপাত। এনসিপির নেতাদের অভিযোগ, ঢাকার দুই মেয়র পদ ছাড়তে রাজি নয় জামায়াত। অন্যদিকে এনসিপিও গুরুত্বপূর্ণ দুই নেতার প্রার্থিতা থেকে সরে আসতে চায় না। এনসিপি নেতারা স্থানীয় নির্বাচনকে নিজেদের নির্বাচনী সক্ষমতা যাচাই এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় নির্বাচনের জà