শিরোনাম
◈ সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার ◈ আসছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা ছুটি, সর্বোচ্চ ১৬ দিন ◈ ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে, দখল হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক ◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন ◈ মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারী (ভিডিও) ◈ তুরস্ককে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম, ডি ব্রুইনার জোড়া গোল

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৩ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথমবারের মতো রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর আগে কয়েক দফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিয়ে উদ্বেগের কারণে বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হয়নি।

advertisement

এর মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখনো অনিশ্চিত।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রহীনতার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়নের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাদের বড় অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে অন্য দেশেও যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

মিয়ানমারের নতুন এই স্বীকৃতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারসহ আরও বেশ কিছু বিষয়ে সমাধান প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স

 

  • সর্বশেষ