শিরোনাম
◈ ক্রিকে‌টে চমকের জন্য তৈরি শাহরুখ খান, দ্য হান্ড্রেডে দেখা যেতে পারে নাইটরাইডা‌র্সের নতুন দলকে?  ◈ বাংলাদেশের কাছে হেরে মাথাব্যথা বেড়ে গে‌ছে অস্ট্রেলিয়ার! দ্বিতীয় টেস্টে বাদ ওপেনার  ◈ সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম ◈ কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটে হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু ◈ জ্বালানি সংকটের সঙ্গে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ, চ্যালেঞ্জে সরকার ◈ অপরাধ দমনে পুলিশের নতুন কর্মপরিকল্পনা, উন্নতির পথে আইনশৃঙ্খলা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটের প্রচার নিয়ে নির্দেশনা জারি ◈ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-ভুটান ◈ ‘ওস্তাদ চাপ দিয়েন না, মহিলা’ এ কথা শুনতে হয় নারী চালককে, প্রথম দিনেই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ◈ তারেক রহমানের সফরের জন্য এখনও অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ভারত: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৩ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথমবারের মতো রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর আগে কয়েক দফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিয়ে উদ্বেগের কারণে বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হয়নি।

এর মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখনো অনিশ্চিত।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রহীনতার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়নের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাদের বড় অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে অন্য দেশেও যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

মিয়ানমারের নতুন এই স্বীকৃতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারসহ আরও বেশ কিছু বিষয়ে সমাধান প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়