শিরোনাম
◈ মেসি নন, বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল রদ্রির হাতে ◈ বিশ্বকাপ ফুটবল: আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ কাজের আশ্বাস, শেষে ডান্স ক্লাব ও যৌ.ন শোষণের ফাঁদ ◈ পেরুতে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৫ ◈ কারাগার থেকে পালানো সেই নারী কয়েদি রাজধানীতে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বকাপ ফাইনাল: একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, অপরিবর্তিত স্পেন ◈ জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশের পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, সিদ্ধান্ত আদালত ও ইসির ◈ কুয়েত প্রবাসীদের জন্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বার্তা

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ০৫:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি, ট্রাম্পের সইয়ের অপেক্ষায় চুক্তি

সৌদি আরবকে নিজস্ব মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিয়ে একটি পারমাণবিক চুক্তির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত সই না মেলায় চুক্তিটি এখন আটকে আছে। 

২০১৫ সালের অক্টোবরেই এই চুক্তির আলোচনা শেষ হয়েছিল, কিন্তু ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের কারণে ট্রাম্প এতে সই করতে দেরি করছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, মার্কিন কংগ্রেসে দুই দলের বিরোধিতার মুখে পড়ার ভয়ও রয়েছে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ হলো পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল উপায়। সাধারণত কোনো দেশ বেসামরিক কাজের জন্য ইউরেনিয়াম নিজে তৈরি না করে অন্য দেশ থেকে আমদানি করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে কঠোর নিয়ম না থাকলে এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ পেয়ে যেতে পারে। এর আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও বলেছিলেন, ইরান পরমাণু বোমা বানালে সৌদি আরবও তা বানাবে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই চুক্তিতে জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থা (আইএইএ)-র কঠোর তদারকির নিয়মটি রাখা হয়নি। এর ফলে সংস্থাটি চাইলেই সৌদির সন্দেহভাজন পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে পারবে না। পুরো বিষয়টি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে। 

২০০৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত এমন প্রযুক্তির লোভ ত্যাগ করে কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চুক্তি করেছিল, যা পারমাণবিক সুরক্ষার আদর্শ নিয়ম বা ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে পরিচিত।

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, সৌদির মাটিতে এই প্রযুক্তি দেওয়া বিপজ্জনক, কারণ তারা যেকোনো সময় এই কেন্দ্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিতে পারে। অন্যদিকে, চুক্তির পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে আমেরিকার পরমাণু ব্যবসার বড় লাভ হবে। 

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি না করলে সৌদি আরব হয়তো রাশিয়া বা চীনের কাছ থেকে আরও সহজে এই প্রযুক্তি পেয়ে যাবে। তবে বিরোধীদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এভাবে নিয়ম শিথিল করে চুক্তি করে, তবে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র ছড়ানো রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। সূত্র: সিএনএন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়