শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ◈ রাষ্ট্রপতি কার্যালয়সহ ৩ সচিব পদে রদবদল ◈ বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি: ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ পারেদেস, আর ৭ ম্যাচ মোলিনা ◈ নতুন পাঁচজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন? ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব ◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৩১ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশি কার্গোর বাজার ধরতে সমুদ্র বন্দরের ৪৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করছে আদানি

দক্ষিণ ভারতে একটি গভীর সমুদ্র ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর পরিচালনার ৪৯ শতাংশ অংশীদারত্ব বিক্রি করতে যাচ্ছে শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপ। প্রায় ১৪০ কোটি ডলারে এটি কিনছে ইউরোপের শিপিং জায়ান্ট এমএসসি। 

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আদানি গ্রুপ জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এমএসসি বিশ্বের বৃহত্তম কনটেইনার শিপিং কোম্পানি। তাদের এই বিনিয়োগ ভারতের বন্দর অবকাঠামো খাতে ‘একক বৃহত্তম বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ’।

এমএসসি মূলত ‘আদানি ভিঝিনজাম পোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড’-এর অংশীদারত্ব কিনতে যাচ্ছে। এই কোম্পানিটি কেরালার ‘ভিঝিনজাম আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর’ পরিচালনা করে। বিক্রির প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে এমএসসির বিনিয়োগকারী শাখা টার্মিনাল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের মাধ্যমে। তবে চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার জন্য এখনও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন নেওয়া বাকি।

আদানি গ্রুপ আশা করছে, এই অংশীদারত্বের ফলে ভিঝিনজাম বন্দরে পণ্য পরিবহনের (কার্গো ভলিউম) পরিমাণ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের কার্গো বা পণ্য পরিবহনের একটি বড় অংশ পরিচালনায় বন্দরটিকে সাহায্য করবে। বর্তমানে বাংলাদেশের পণ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য হাব বা কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে পরিবহন করা হয়।

ভিঝিনজাম হলো ভারতের প্রথম বিশেষায়িত গভীর সমুদ্রের কনটেইনার ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর। বর্তমানে যেসব বড় বড় কনটেইনারবাহী জাহাজ ভারতের বন্দরগুলো এড়িয়ে অন্য পথ দিয়ে চলাচল করে, সেগুলো হ্যান্ডলিং করার উপযোগী করে এই বন্দরটি তৈরি করা হয়েছে।

বর্তমানে ভারত তাদের বড় বড় সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। সিঙ্গাপুর বা কলম্বোর মতো আঞ্চলিক ট্রান্সশিপমেন্ট হাবগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের ভেতরেই নিজেদের পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্যে এমএসসির সঙ্গে চুক্তিটি করা হয়েছে। বিবৃতিতে আদানি পোর্টসের প্রধান নির্বাহী অশ্বিনী গুপ্ত বলেছেন, ভিঝিনজাম বন্দরটি একটি শীর্ষস্থানীয় ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর পরিধিও বাড়ছে। 

বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী দশকগুলোতে নিজেদের প্রধান প্রধান বন্দরগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ও সম্প্রসারণের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নয়াদিল্লি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়