শিরোনাম
◈ একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, গ্রাহকদের টাকা ফেরত নিয়ে বড় ঘোষণা ◈ যোগ করা সময়ে মার্তিনেল্লির গোলে নাটকীয় জয় ব্রাজিলের ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম ◈ 'ভবিষ্যৎ তোমাদের'—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর নতুন শিক্ষা পরিকল্পনা ◈ হারা‌রে টে‌স্টে জিম্বাবুয়ের রান পাহাড়ে চাপা বাংলাদেশ ◈ চার বছর পর আবার ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ◈ করমুক্ত আয় বাড়ানো, কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিল ও স্টার্টআপে ৫০০ কোটি টাকা: বাজেটে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ জনবান্ধব প্রস্তা ◈ কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান ভ্যাটের আওতার বাইরে রেখে সংসদে অর্থ বিল পাস ◈ সদ্য চালু হওয়া ভারতীয় ভ্রমণ ভিসার ‘স্লট’ নিয়ে রমরমা বাণিজ্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ (ভিডিও) ◈ অর্থবিল পাস, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২৬, ০১:১৫ রাত
আপডেট : ৩০ জুন, ২০২৬, ০২:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

তিস্তা নদী ব্যাপক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (টিআরসিএমআরপি) নিয়ে ভারতের তীব্র উদ্বেগের মাঝেই এই প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। একই সঙ্গে বেইজিং স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি যেকোনো ধরনের তৃতীয় পক্ষের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা উচিত। 

সোমবার (২৯ জুন) বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এসব কথা বলেন।

তিস্তা নদীর অববাহিকা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত কাছাকাছি হওয়ায় ঢাকা-বেইজিংয়ের এই যৌথ উদ্যোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘শিলিগুড়ি করিডোর’ বা ‘চিকেনস নেক’-এর কাছাকাছি চীনের উপস্থিতি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করে দেশটি। এই করিডোরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে সংযুক্ত করেছে।

তবে ভারতের এমন নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে নাকচ করে দিয়ে এটিকে পুরোপুরি বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী একটি উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে চীন। চীনা মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, তিস্তা নদীর ব্যাপক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার হলো বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রকল্প, যেটিকে বাংলাদেশ পক্ষ অত্যন্ত উচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। 

চীন তার সাধ্যানুযায়ী এই প্রকল্পে সহায়তা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি আরও যোগ করেন, বেইজিং বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে আরও বৃহত্তর সমন্বয় সাধনে ইচ্ছুক এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, পানিসম্পদ ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের বিষয়ে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা প্রথমবারের মতো একটি যৌথ কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি স্টাডি) পরিচালনা করবেন। 

গতবারের তুলনায় এবার আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষই এই সমীক্ষার বিষয়ে একমত হয়েছে। যদি সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রকল্পটি যৌক্তিক ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়, তবে চীন এই প্রকল্পে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা ও বেইজিং ইতোমধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে পৌঁছেছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এবং চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘পাওয়ারচায়না’ এই প্রকল্পটিকে এগিয়ে নিতে তাদের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ বাড়িয়েছে।  সূত্র: এনডিটিভি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়