শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-চীনের যৌথ ঘোষণা: কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার ◈ মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ◈ শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রস্তাব বাংলাদেশের: রয়টার্স ◈ যশোরে ২ কোটি ২২ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক ◈ রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন-র‌্যালি না করার নির্দেশ ◈ সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীরকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে গড়িমসি চলবে না, বাংলাদেশ ব্যাংকের কড়া বার্তা ◈ শিল্পাঞ্চলে বিদ্যুৎ দিতে ৪৯৭৩ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার ◈ বাংলাদেশে শাখা খুলতে চায় জাপানের শীর্ষ ব্যাংক এমইউএফজি ◈ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ছয় লেন করতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় হবে ৩০৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২৬, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ২৬ জুন, ২০২৬, ০৬:৩০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কানাডার ইমিগ্রেশন নীতিতে অনিশ্চয়তায় লাখো বাংলাদেশিসহ প্রবাসীরা

কানাডায় চলতি বছরে ইমিগ্রেশন সংকট দেখা দিয়েছে। দেশটির বর্তমান স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টস গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিদেশি কর্মী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা অনেক বেশি। এর ফলে কানাডায় প্রায় ২৯ লাখ মানুষের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। এর মধ্যে কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও রয়েছে।

চলতি বছরে দেশটি মাত্র তিন লাখ আশি হাজার স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টসের আসন রেখেছে। ফলে চলতি বছরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের কানাডায় থাকার বৈধ পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যাদের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিটে রয়েছে, তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ ছাড়া তাদের পরিবারের সদস্যরা, যারা ইতিমধ্যে কানাডার স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য শিল্পে বছরের পর বছর কাজ করে দেশটির অর্থনীতিতে অবদান রেখেছেন, তারাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।

দেশটির মোট টেম্পোরারি রেসিডেন্টের প্রায় ৫০ শতাংশ দক্ষিণ এশিয়ানও এর মধ্যে রয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থী ও কর্মীরাও এই সংকটের বাইরে নন।

উল্লেখ্য, ওয়ার্ক পারমিট ধারীদের বিনা স্টাডি পারমিটে পড়াশোনার বিশেষ সুযোগ আগামী ২৭ জুন শেষ হতে চলেছে। ইতোমধ্যে অনেকেই ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির চাকাকে শক্তিশালী করতে একের পর এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে চলেছেন। তবে আশার কথা, দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও অনেকের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের এটি একটি পরিকল্পিত নীতি, যার উদ্দেশ্য টেম্পোরারি বাসিন্দাদের দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়