শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২৬, ০৮:২৯ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে ভবন থেকে সন্তানকে ফেলে দিয়েছিলেন সেই ভারতীয় নারী

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ শহরের একটি আবাসিক ভবনে ভারতীয় এক প্রবাসী নারী এবং তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাশিশুর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ওই নারীর স্বামীকে আটক করেছে আমিরাতের পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভবনের কর্মীদের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী ওই মা প্রথমে তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়েকে উঁচু ভবনের জানালা বা ব্যালকনি থেকে নিচে ফেলে দেন। এরপর তিনি নিজেও ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি শারজাহর আল নাহদা এলাকায় গত বুধবার সকাল প্রায় ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে।

advertisement

গালফ নিউজ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের ভবনটি ৩২ তলা উঁচু এবং নিচে পার্কিং ও জিমসহ বিভিন্ন স্তর থাকায়, নিহতরা আনুমানিক ২২ তলা উচ্চতা থেকে নিচে পড়ে যান।

ভবনের নিরাপত্তা প্রহরী জানান, তিনি একটি জোরে শব্দ শুনে দ্রুত বাইরে যান। তখন শিশুটিকে রাস্তায় ও মাকে ফুটপাতে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্সকে খবর দেন।

advertisement

স্থানীয়দের মতে, ঘটনার আগের দিনই পুলিশ পারিবারিক বিরোধের অভিযোগে ভবনে গিয়েছিল। নিরাপত্তা কর্মী জানান, স্বামী তাকে জানিয়েছিলেন যে তার স্ত্রী মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

নিহত নারীর স্বামী দুবাইয়ে একটি এয়ারক্রাফট রিসোর্স অ্যালোকেশন অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। তাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

advertisement

পরিচিতদের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কেরালার এই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল প্রায় ১২ বছর আগে। তারা সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই ভবনের একই ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন।

ভবনের অন্য বাসিন্দারা জানান, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও সংযুক্ত আরব আমিরাতেই থাকেন। নিহত নারী অনলাইনে একটি ব্যবসাও পরিচালনা করতেন বলে জানা গেছে।

প্রতিবেশীরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক বলে বর্ণনা করেছেন। ভবনের নিরাপত্তা কর্মী শিশুটিকে নিয়ে আবেগপ্রবণ স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় সে তাকে হাসিমুখে হাত নেড়ে বিদায় জানাত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শারজাহ পুলিশ আগেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। তদন্তের জন্য পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠিয়েছে।

  • সর্বশেষ