শিরোনাম
◈ বেনজীরের জামিন আদেশ বাতিলে দুবাইয়ে ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দীর্ঘ হবে: মির্জা ফখরুল ◈ ডিএনসিসির প্রশাসক ও ঢাকা- ১৮ আসনের এমপির ওপর হামলা, কী ঘটেছিল? (ভিডিও) ◈ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১৫৯৮ ◈ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৪৪ ◈ পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা শুধু ‘রিমাইন্ডার’: ডিবি প্রধান ◈ ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বে‌শির ভাগ ব্রা‌জি‌লিয়ান‌দের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ নেই ◈ শর্তসাপেক্ষে দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর আহমেদ, পাসপোর্ট জব্দের কারণে আমিরাত ছাড়তে পারবেন না ◈ দেশজুড়ে কেন সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৮ মে, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সমুদ্রের নিচে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক এআই ডেটা সেন্টার চালু করলো চীন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামোকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে চীন নিয়েছে অভিনব উদ্যোগ। সমুদ্রের নিচে তৈরি করছে ডেটা সেন্টার।

শাংহাইয়ের উপকূলে লিংকাং বিশেষায়িত অঞ্চলের কাছে নতুন একটি অফশোর প্লাটফর্মে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার চালু হয়েছে, যা সরাসরি সমুদ্রের বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছে।

প্রায় ১৬০ কোটি ইউয়ান বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বাড়তে থাকা বিদ্যুতের বিপুল পরিমাণ চাহিদার যোগান দেওয়া।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার দ্বিগুণ বাড়বে, যার প্রধান চালিকাশক্তি হবে এআই।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ মিটার নিচে স্থাপন করা চীনের এই ডেটা সেন্টারে চারটি স্তরে ১৯২টি সার্ভার র‌্যাক আছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে এর বিদ্যুৎ ব্যবহার ২.৩ মেগাওয়াট। পুরো প্রকল্প চালু হলে তা ২৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে।

স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের চেয়ে এর বড় সুবিধা হলো শীতলীকরণ ব্যবস্থা। সাধারণ ডেটা সেন্টারে বিদ্যুতের প্রায় ৪০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখতেই ব্যয় হয়। সমুদ্রের নিচে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হওয়ায় শীতলীকরণে বিদ্যুতের ব্যবহার বেশ হয়।

ডেটা সেন্টারটি আবার নিকটবর্তী ২০০ মেগাওয়াটের একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ৫০টির বেশি টারবাইন রয়েছে। কেন্দ্রটির ৯৫ শতাংশেরও বেশি বিদ্যুৎ আসছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

প্রকল্পটি পূর্ণমাত্রায় চালু হলে বছর প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে।

তবে সমুদ্রের প্রবল ঢেউ ও তলদেশের পলি জমার মতো কঠিন পরিবেশে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে চীনা প্রকৌশলীদের নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়েছে। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে ছয় মাস।

সূত্র: সিএমজি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়