শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:২১ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিয়ের ৬ বছর পর জানলেন তারা ভাই-বোন!

ছয় বছরের সুখী দাম্পত্য জীবন। ভালোবাসার ঘর আলো করে এসেছে দুটি ফুটফুটে সন্তান। সবকিছুই চলছিল সাধারণ ও স্বাভাবিক নিয়মে। কিন্তু হঠাৎ করেই এই দম্পতির জীবনে নেমে আসে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঝড়। একটি সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন বদলে দেয় তাদের জীবনের গল্প। সম্প্রতি মেডিক্যাল পরীক্ষায় ব্রিটিশ এই দম্পতি জানতে পেরেছেন, তারা আসলে পরস্পরের আপন ভাই-বোন।

দ্য মিররের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খুব ছোটবেলায় নিজের জৈবিক পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। শহরের অন্য একটি পরিবার তাকে দত্তক নেয়। নিজের আসল বাবা-মা কারা, তা কখনোই জানতে পারেননি তিনি। পরবর্তীতে বড় হয়ে একই শহরের এক যুবতীর সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেম হয়। একপর্যায়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর প্রথম সন্তানের জন্ম হলেও এই সত্য তাদের অজানা ছিল।

জীবনের এই চরম সত্য প্রকাশ্যে আসে তাদের দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নেওয়ার পর। সে সময় স্ত্রী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসকরা জানান, তার অবিলম্বে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন। পরিবারের নিকটাত্মীয়দের কারও সঙ্গে কিডনির ম্যাচ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে এগিয়ে আসেন স্বামী। তিনি নিজের কিডনি প্রদান করতে পারবেন কি না, তা যাচাই করার জন্য পরীক্ষা করান। তবে পরীক্ষার ফল দেখে খোদ চিকিৎসকরাই বিস্মিত হয়ে যান।

চিকিৎসকরা জানান, স্বামী ও স্ত্রীর শারীরিক ও টিস্যু সংক্রান্ত উপাদানে অস্বাভাবিক মিল রয়েছে। পরবর্তীতে আরও নিখুঁত ফলাফলের জন্য টিস্যু এইচএলএ (হিউম্যান লিউকোসাইট অ্যান্টিজেন) পরীক্ষা করা হয়। সেখানকার ফলাফলেও দেখা যায়, স্বামী-স্ত্রীর ডিএনএ ও টিস্যুর সামঞ্জস্য সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের শতভাগ সামঞ্জস্য মূলত আপন ভাই-বোনের মধ্যেই দেখা যায়। এই ফলেই চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন যে তারা মূলত আপন ভাই-বোন।

হতাশ ও ব্যাকুল হয়ে এই ব্রিটিশ দম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সকলের মতামত চেয়েছেন। ভাগ্যক্রমে তাদের সন্তানদের শরীরে কোনো ধরনের জেনেটিক জটিলতা বা অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি, তারা সম্পূর্ণ সুস্থ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীরা তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে পরামর্শ দিয়েছেন- যেহেতু তারা ইতোমধ্যে বিবাহিত এবং সন্তানরা সুস্থ রয়েছে, তাই অতীতের কথা না ভেবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে তাদের দায়িত্বশীল বাবা-মা হিসেবে একসঙ্গেই থাকা উচিত।

 

  • সর্বশেষ