শিরোনাম
◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত ◈ মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে জুবাইদা রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:১৮ সকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০ বছর পর সাবমেরিন থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল চীন

দক্ষিণ চীন সাগর থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের উন্মুক্ত জলসীমায় চার দশকের মধ্যে এই প্রথম সাবমেরিন থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। ‘জুলাং-৩’ (JL-3) বা ‘JL-2’ নামে পরিচিত এই আন্তঃমহাদেশীয় পরমাণু শক্তিধর ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ ও সামরিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

কেন এই পরীক্ষা এত গুরুত্বপূর্ণ?

advertisement

১. উন্মুক্ত মহাসাগরে প্রথম পরীক্ষা: চীন এর আগে ১৯৮০ সালে খোলা সাগরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল। তবে পানির নিচ থেকে সাবমেরিনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত জলসীমায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

২. ১০,০০০ কিমি+ রেঞ্জ ও সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাতের ক্ষমতা: জুলাং-৩ (JL-3) ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটারের বেশি। এর ফলে চীনের উপকূলীয় এলাকা বা দক্ষিণ চীন সাগরের সুরক্ষিত অঞ্চল থেকেই আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে সরাসরি পারমাণবিক হামলা চালানো সম্ভব।

advertisement

৩. নিশ্চিত দ্বিতীয় আঘাতের ক্ষমতা (Assured Second-Strike Capability): স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির চেয়ে সাবমেরিনকে সমুদ্রে খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন। পানির নিচে লুকিয়ে থেকে প্রতিপক্ষের যেকোনো আগাম পারমাণবিক হামলার পর পাল্টা আঘাত হানার এই সক্ষমতা দেখাল বেইজিং।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

advertisement

চীনের গণমুক্তি ফৌজ (PLA) দাবি করেছে, এটি তাদের নিয়মিত বার্ষিক সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনেই এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তবে আকস্মিক এই পরীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটন ও মিত্রদের অভিযোগ—প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে চীন এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করছে।

  • সর্বশেষ