শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৬, ০৮:১০ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জুলাই থেকে নবম–দশম শ্রেণিতে ৩টি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করছে সিবিএসই

ভারতের প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুলপড়ুয়াদের জন্য এখন থেকে ৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই যুগান্তকারী নিয়ম কার্যকর করতে চলেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত মোদী সরকারের ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ অনুযায়ী এই শিক্ষানীতি কার্যকরের চূড়ান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ মে) একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করে বোর্ড জানিয়েছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী ১ জুলাই থেকেই এই নতুন নিয়ম পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে। অর্থাৎ, এখন থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠ্যক্রমে তিনটি ভাষাই বাধ্যতামূলকভাবে পড়তে হবে।

জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও বেশি ওয়াকিবহাল করা। এই উদ্দেশ্যে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা বেছে নেওয়ার কথা আগেই বলা হয়েছিল। নতুন এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে ইতিমধ্যেই ৯টি প্রধান ভারতীয় ভাষায় পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩টি ভাষার এই নতুন পাঠ্যক্রমকে তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে— আর-১ (R-1), আর-২ (R-2) এবং আর-৩ (R-3)। এর মধ্যে আর-১ এবং আর-২ বিভাগে দুটি ভিন্ন ভারতীয় দেশীয় ভাষা পড়ানো হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড় কিংবা গুজরাতির মতো সমৃদ্ধ ভাষাগুলো বেছে নিতে পারবে। অন্যদিকে, আর-৩ বিভাগে অন্য যেকোনো একটি বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ মিলবে।

সিবিএসইর নতুন এই নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যদি প্রথম দুটি বিভাগে দুটি নিজস্ব দেশীয় ভাষা পড়ে, তবে তারা আর-৩ বিভাগে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে; যা তাদের পাঠ্যক্রমে ‘চতুর্থ ভাষা’ হিসেবে গণ্য হবে। তবে এই শিক্ষানীতির সবচেয়ে আলোচিত দিকটি হলো এর শ্রেণিবিন্যাস। নতুন এই নিয়মে ইংরেজিকে কোনো ভারতীয় বা আঞ্চলিক ভাষার ক্যাটাগরিতে না রেখে, সরাসরি ‘বিদেশি ভাষা’র বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক ভাষা ও বৈশ্বিক যোগাযোগের দক্ষতা বাড়বে, অন্যদিকে ভারতের নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষাগুলোর চর্চাও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে অনেক শক্তিশালী হবে।

  • সর্বশেষ