শিরোনাম
◈ ‘ক্রসফায়ারের’ নামে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে অটল থাকার বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ হামে আক্রান্ত আরও ১২৪, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৫ শিশুর ◈ এক সম‌য়ের তু‌খোড় ফুটবলার আজ বাস কন্ডাক্টর ◈ ডকুমেন্টারিতে শহীদ আবু সাঈদের অনুপস্থিতি ‘দুঃখজনক’: হট্টগোলে ক্ষোভ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ◈ লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দাম, এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ◈ জুলাই চেতনার ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ আমার কমনসেন্স বলে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ হাসিনা দেশে এলে রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ◈ জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ শুরু সেপ্টেম্বরে: গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২৬, ০৯:১২ রাত
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাগদাদে আমেরিকার কূটনৈতিক কেন্দ্রে হামলা ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর! ভিতরে ছিলেন মার্কিন সেনাকর্মীরা

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : ইরাকের রাজধানী বাগদাদে একটি আমেরিকান কূটনৈতিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। হামলার পর দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে ওই ঘাঁটিতে। হতাহতের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, ওই কেন্দ্রে মার্কিন সেনাকর্মীরা থাকতেন। তাঁরা হামলার সময় কেউ ভিতরে আটকে পড়েছিলেন কি না, জানা যায়নি।

ইরাকের ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী আশাব আল-কাহ্‌ফ মার্কিন কূটনৈতিক কেন্দ্রে হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে হামলা হয়েছে, তা বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছেই। ফলে বিমান পরিষেবাও সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয় বলে দাবি কিছু রিপোর্টে। সমাজমাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের একাধিক ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে দাউদাউ করে জ্বলছে ওই মার্কিন ঘাঁটি। ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠছে। তবে সেই ছবি বা ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সংবাদসংস্থা রয়টার্সও বাগদাদের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।

বাগদাদ-সহ পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন ঘাঁটিগুলির উপর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। বাগদাদে তা কাজ করছিল কি না, কেন ব্যর্থ হল স্পষ্ট নয়। আমেরিকার তরফেও কোনও মন্তব্য আসেনি। এখনও পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে সরকারি হিসাবে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন মার্কিন নাগরিক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করে। তাতে মৃত্যু হয় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এর পর তেহরানের কুর্সিতে বসেছেন তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেই। যৌথ বাহিনীর হামলার পরেই পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা শুরু করেছিল ইরান। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরিন এবং ইরাকের মতো দেশে একাধিক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। যদিও ইরানি আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ইরানের পররাস্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছিলেন, কিছু দিন আগে এই দেশের ঘাঁটি ব্যবহার করেই আমেরিকা ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে।

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরেই পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলি গর্জে উঠেছিল। লেবাননে হিজবুল্লা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ইসরায়েলের সঙ্গে। ইরাকেও কিছু গোষ্ঠী শুরু থেকে সক্রিয়। তাদের নিশানায় এবার বাগদাদের মার্কিন কূটনৈতিক ঘাঁটি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়