শিরোনাম
◈ তিন বছর পর ভার‌তে ফিরছে আইপিএল নিলাম, ভেন্যু গোয়া ◈ ভারতকে নিয়ে ব্রা‌জিল কোচ আনচেলত্তি, প্রীতি ম্যাচ বলতে কিছু নেই ◈ বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১১ উড়োজাহাজ, বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি সই ◈ পাকিস্তান ছেড়ে ২ বছ‌রের চু‌ক্তি‌তে নেদারল্যান্ডসের কোচ অ‌্যাশ‌লি নফকে  ◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০২:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরব আমিরাতে ঈদ জামাত আয়োজনের নতুন সিদ্ধান্ত

মুসলিম দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আজ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকে বসবে। সেখানে নির্ধারিত হবে কবে হতে যাচ্ছে এবারের ঈদুল ফিতর উৎসব।

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের আগে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আবু ধাবি। 

advertisement

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছর কোনো ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে ঈদের নামাজের আয়োজন করা হবে না। মুসুল্লিরা শুধুমাত্র মসজিদের অভ্যন্তরে বসেই নামাজ আদায় করতে পারবেন। 

আজ বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজ। 

advertisement

এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, সমগ্র আমিরাতজুড়ে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। 

কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠুভাবে ঈদের নামাজের আয়োজন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

advertisement

বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে, আমিরাতের মসজিদগুলোতে ঈদের নামাজ পড়তে আসা মুসুল্লিদের জন্য যথেষ্ঠ জায়গা আছে। মসজিদগুলো নামাজীদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত। 

পাশাপাশি, দেশের মানুষকে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসা আনুষ্ঠানিক নীতি ও নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়।

পবিত্র রমজান মাস শেষে আনন্দের দিন হিসেবে মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। 

প্রথাগতভাবে ঈদের নামাজে অসংখ্য মুসুল্লি অংশ নেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই মসজিদের পাশাপাশি খোলা মাঠ বা ঈদগাহে বড় আকারে এই নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের আজ ১৯তম দিন। 

দুই শক্তিশালী দেশের যুগপৎ হামলার জবাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান। 

মূলত যেসব দেশ মার্কিন সেনাদের আশ্রয় দিয়েছে বা মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনে সম্মতি দিয়েছে, তারাই হামলার মুখে পড়েছেন। 

ইসরায়েলের পর আমিরাতই সবচেয়ে বেশিবার তেহরানের হামলার মুখে পড়েছে। এসব হামলায় অন্তত আট জন নিহত ও ১৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তত এক হাজার ৪০০টি হামলার শিকার হয়েছে আমিরাত। 

আমিরাতের বিরুদ্ধে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। 

হামলার মূল লক্ষ্য ছিল দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ফুজাইরাহ তেল টার্মিনাল, জেবেল আলি বন্দর, বুর্জ আল আরব হোটেল, মার্কিন সামরিক স্থাপনা আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনা।

 

  • সর্বশেষ