শিরোনাম
◈ কানাডায় ভারতীয়দের ওপর কড়াকড়ি, ৬ মাসে বহিষ্কার ৩,৩২৩ ◈ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনাকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল সরকার ◈ বাংলাদেশে প্রথমবার চালু হচ্ছে ই-ভিসা, ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মিলবে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা ◈ ‘যৌন ডাক্তার’ বলে অপপ্রচার, ফেসবুকে নিজের নামে প্রতারণামূলক ১৬০ বিজ্ঞাপনের অভিযোগ তাসনিম জারার ◈ সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম: তদন্তে উঠে এসেছে যাদের নাম ◈ ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায় ৮০০ ই-বাস কিনছে সরকার ◈ এবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ফিফা সভাপ‌তির বিরুদ্ধে  ◈ অ‌ক্টোব‌রে ব্রা‌জিল ৯০ জনের দল নিয়ে কলকাতায় আসছে! ◈ বাংলাদেশের ব‌্যাটার‌দের আউটের ধরন দে‌খে হতাশ কোচ ‌ফিল সিমন্স ◈ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে, প্রত্যর্পণ চুক্তিতে যা আছে

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৪:৩৩ সকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা স্থাপনা লক্ষ্য করে

হিজবুল্লার রকেট হামলায় ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের একাংশ। ছবি: অনলাইন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কেঁপে উঠেছে ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব। রকেট হামলায় শহরের একাধিক ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার তেল আবিবের উপকণ্ঠে একটি আবাসিক ভবনে রকেট আঘাত হানলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের পর ভবনের বড় অংশ ধসে পড়েছে এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রকেটটি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ নিক্ষেপ করেছে।

হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তাদের এই হামলার লক্ষ্য ছিল ওই এলাকার একটি ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা স্থাপনা।

সম্প্রতি ইরান ও তাদের মিত্রদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পুরো অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। এর মধ্যেই তেল আবিবে এই হামলার ঘটনা ঘটল।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরাইলের বিভিন্ন অঞ্চল এবং আশপাশের দেশগুলোতে একের পর এক রকেট, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। হিজবুল্লাহ একাধিক রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

এর জবাবে ইসরাইলও লেবাননের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হচ্ছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করে তুলতে পারে। ইতোমধ্যে এর প্রভাব জ্বালানি সরবরাহ, সামুদ্রিক পথ এবং অঞ্চলের জনজীবনের ওপর পড়তে শুরু করেছে। সোর্সঃ আল জাজিরা, দাইজি ওয়ার্ল্ড

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়