শিরোনাম
◈ ১২ দি‌নেই বিশ্বকাপ টিকিটের জন‌্য ১৪২ দে‌শ থে‌কে আ‌বেদন প‌ড়ে‌ছে দেড় কো‌টির উপ‌রে ◈ আন্তর্জাতিক উদ্বোধনের আগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে কোটি টাকার লাইটিং সিস্টেমের তার চুরি, অডিটের আগে নিরাপত্তাঝুঁকি ◈ সুপার এল নিনোর কবলে বিশ্ব, বাড়ছে দাবানল ◈ বিনিয়োগে স্থবিরতা, প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ বিএনপির সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জে এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প চালুর নির্দেশ ◈ দেশে ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে ◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৩৫ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা পাইয়ে দিতে টাকা আদায় : বিএনপির দুই নেতাকে অব্যহতি

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা পাইয়ে দিতে টাকা আদায়ের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পদ হারানো নেতারা হলেন- দরবেশপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউছুফ।

জানা গেছে, শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাদেরকে দল থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়।

অব্যহতিপত্রে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষর করেন। অব্যহতি পত্রে উল্লেখ করা হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্থায়ীভাবে হারুন ও ইউছুফকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তারা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। এর অনুলিপি লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম ও উপজেলা বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অব্যহিতপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ ও মো. ইউছুফের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে ভাতা দিচ্ছেন। হারুন ও ইউছুফের ওয়ার্ডে একটি মসজিদ আছে। সেই মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে তারা ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে তারা। ঘটনাটি জানতে পেরে আমি ও আমার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, হারুন ও ইউছুফের দাবি, টাকাগুলো মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ নিয়েছে। মূলত টাকাটা তারা দুইজনই নিয়েছে। মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ বিএনপির কেউ নয়, তার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। আর টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমরা হারুন ও ইউছুফকে দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যহতি দিয়েছি।

  • সর্বশেষ