শিরোনাম
◈ কানাডায় ভারতীয়দের ওপর কড়াকড়ি, ৬ মাসে বহিষ্কার ৩,৩২৩ ◈ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনাকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল সরকার ◈ বাংলাদেশে প্রথমবার চালু হচ্ছে ই-ভিসা, ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মিলবে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা ◈ ‘যৌন ডাক্তার’ বলে অপপ্রচার, ফেসবুকে নিজের নামে প্রতারণামূলক ১৬০ বিজ্ঞাপনের অভিযোগ তাসনিম জারার ◈ সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম: তদন্তে উঠে এসেছে যাদের নাম ◈ ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায় ৮০০ ই-বাস কিনছে সরকার ◈ এবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ফিফা সভাপ‌তির বিরুদ্ধে  ◈ অ‌ক্টোব‌রে ব্রা‌জিল ৯০ জনের দল নিয়ে কলকাতায় আসছে! ◈ বাংলাদেশের ব‌্যাটার‌দের আউটের ধরন দে‌খে হতাশ কোচ ‌ফিল সিমন্স ◈ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে, প্রত্যর্পণ চুক্তিতে যা আছে

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৩৫ রাত
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা পাইয়ে দিতে টাকা আদায় : বিএনপির দুই নেতাকে অব্যহতি

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা পাইয়ে দিতে টাকা আদায়ের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পদ হারানো নেতারা হলেন- দরবেশপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউছুফ।

জানা গেছে, শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাদেরকে দল থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়।

অব্যহতিপত্রে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বাক্ষর করেন। অব্যহতি পত্রে উল্লেখ করা হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে স্থায়ীভাবে হারুন ও ইউছুফকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তারা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। এর অনুলিপি লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম ও উপজেলা বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অব্যহিতপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ ও মো. ইউছুফের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

দরবেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে ভাতা দিচ্ছেন। হারুন ও ইউছুফের ওয়ার্ডে একটি মসজিদ আছে। সেই মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে তারা ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে তারা। ঘটনাটি জানতে পেরে আমি ও আমার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, হারুন ও ইউছুফের দাবি, টাকাগুলো মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ নিয়েছে। মূলত টাকাটা তারা দুইজনই নিয়েছে। মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ বিএনপির কেউ নয়, তার বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। আর টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমরা হারুন ও ইউছুফকে দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যহতি দিয়েছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়