শিরোনাম
◈ নামজারির ফাইলে গোপন সংকেতে দ্রুত সেবা, ঘুষ না দিলে বাতিল আবেদন! মিরসরাই ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুসংবাদ: টিফিন ভাতা পাঁচগুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা, বাড়ছে আরও নানা সুবিধা ◈ দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ কার্যক্রম নি‌ষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সর্তকতার কারণ কী? ◈ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানই এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ◈ এলপিজির নামে প্রতারণা: এক মাসের সিলিন্ডার ১৫ দিনে শেষ, দেখা গেল গ্যাসের সঙ্গে মেশানো হয়েছে পানি ◈ অ‌স্ট্রিয়ার বিরু‌দ্ধে ম‌্যাচ নি‌য়ে অস্ব‌স্তি‌তে আ‌ছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিও‌নেল স্কালোনি ◈ সমীকরণ বল‌ছে, গ্রু‌পের শেষ ম‌্যা‌চে ব্রাজিল স্কটল্যান্ডের কাছে হে‌রে গে‌লে‌ও বাদ পড়ার সম্ভাবনা কম! ◈ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা বল‌লেন, নেইমার বিশ্বের প্রথম ‘হোম অফিস’ করা খেলোয়াড়  ◈ পশ্চিমবঙ্গ সফরে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে যা বললেন মোদী

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্যাপসিকাম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি?

রঙিন, পুষ্টিকর ও মৃদু স্বাদের সবজি ক্যাপসিকাম উৎপাদনে বিশ্ববাজারে একক আধিপত্য ধরে রেখেছে চীন। উন্নত উদ্যানপালন (horticulture) পদ্ধতি, বিশাল চাষাবাদ এলাকা এবং অভ্যন্তরীণ উচ্চ চাহিদার কারণে দেশটি বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ক্যাপসিকাম উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে।

চীনের শানডং, হেবেই, হেনান এবং লিয়াওনিং প্রদেশগুলো সবজি উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এসব অঞ্চলে উর্বর মাটি এবং অনুকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি আধুনিক কৃষি অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। চীন মূলত ‘উন্মুক্ত মাঠ পর্যায়ের চাষাবাদ’ ও ‘সংরক্ষিত বা গ্রিনহাউস’- এই দুই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে।

বিশেষ করে দেশটিতে গ্রিনহাউস প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ঋতুভেদে উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমেছে এবং সারা বছর গুণগত মানসম্পন্ন ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

জলবায়ু ও মাটির ভূমিকা 

ক্যাপসিকাম চাষের জন্য পর্যাপ্ত সুর্যের আলো, উষ্ণ তাপমাত্রা এবং সুনিষ্কাশিত উর্বর মাটির প্রয়োজন হয়। চীনের বৈচিত্র্যময় জলবায়ু এই সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এছাড়া নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষাবাদের ফলে ফসলের রোগবালাই কম হয় এবং ফলন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব 

চীন কেবল নিজেদের চাহিদা মেটানোই নয়, বরং তাজা এবং প্রক্রিয়াজাত ক্যাপসিকাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে, যা দেশটির কৃষি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ক্যাপসিকাম চাষের এই ব্যাপকতা চীনের গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আধুনিক উদ্যানপালন ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে নিয়ে গেছে।

ক্যাপসিকাম সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য: 

পুষ্টিগুণ: ক্যাপসিকাম ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং খাদ্য আঁশে ভরপুর।

রঙের বৈচিত্র্য: সবুজ, লাল, হলুদ এবং কমলা—এই চার রঙের ক্যাপসিকাম দেখা যায়। রঙের ভিন্নতা মূলত সবজিটির পরিপক্বতা এবং পুষ্টির তারতম্য নির্দেশ করে।

এদিকে চীন কেবল ক্যাপসিকাম নয়, বরং বিশ্বের আরও অনেক সবজি উৎপাদনের শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়