শিরোনাম
◈ কানাডায় ভারতীয়দের ওপর কড়াকড়ি, ৬ মাসে বহিষ্কার ৩,৩২৩ ◈ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনাকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল সরকার ◈ বাংলাদেশে প্রথমবার চালু হচ্ছে ই-ভিসা, ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মিলবে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা ◈ ‘যৌন ডাক্তার’ বলে অপপ্রচার, ফেসবুকে নিজের নামে প্রতারণামূলক ১৬০ বিজ্ঞাপনের অভিযোগ তাসনিম জারার ◈ সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম: তদন্তে উঠে এসেছে যাদের নাম ◈ ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায় ৮০০ ই-বাস কিনছে সরকার ◈ এবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ফিফা সভাপ‌তির বিরুদ্ধে  ◈ অ‌ক্টোব‌রে ব্রা‌জিল ৯০ জনের দল নিয়ে কলকাতায় আসছে! ◈ বাংলাদেশের ব‌্যাটার‌দের আউটের ধরন দে‌খে হতাশ কোচ ‌ফিল সিমন্স ◈ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে, প্রত্যর্পণ চুক্তিতে যা আছে

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০১:৪০ রাত
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত রোধে এরদোয়ানের সতর্কবাণী ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা পুরো অঞ্চলকে ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। 

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি সব পক্ষের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান। এরদোয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ইরানের সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি আঞ্চলিক শান্তির জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। তুরস্ক এই হামলার ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একই সঙ্গে এরদোয়ান উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সমালোচনা করে একে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা একটি বৃহত্তর সংকট তৈরি করতে পারে।

গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্য নতুন করে সামরিক সংঘাতের মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস এবং তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে তুরস্কের নেতা বলেছেন, আঙ্কারা সহিংসতা বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করবে। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হবে একটি যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং এরপর আলোচনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। এরদোয়ান বলেন, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে দ্রুত ও ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এরদোশান সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, যদি শুভবুদ্ধির উদয় না হয় এবং কূটনীতিকে সুযোগ দেওয়া না হয়, তবে পুরো অঞ্চল আগুনের কুণ্ডলীতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। তুরস্ক ইতিমধ্যেই এই সংঘাতের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়