শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধটি আসলে কেন হয়েছিল? ◈ বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের হাঙর সাব‌মে‌রিন, বাংলাদেশকে নি‌য়েও জল্পনা তু‌ঙ্গে, ভারতের জন্য কতটা চিন্তার? ◈ যুক্তরা‌স্ট্রের স‌ঙ্গে আলোচনার মানে এটা নয় যে, শত্রুর মতামত মেনে নেয়া হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে হাইতির বিরু‌দ্ধে নতুন  কৌশল নিয়ে নামবেন ব্রা‌জি‌লের কোচ কা‌র্লো আনচেলত্তি ◈ হরমুজ খুলতেই এশিয়ার বাজারে আসছে ৬ কোটি ব্যারেল তেল ◈ শ‌নিবার নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে পাকিস্তানের মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ  ◈ গরম আর বৃ‌ষ্টি এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে স্বাগতিক মেক্সিকো ◈ কাতারকে ৬ গোলে উড়িয়ে ইতিহাস কানাডার, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন সমঝোতায় শক্তিশালী ইরান, শঙ্কায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা

প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের ‘গোপন তথ্য’ চলে গেল পাকিস্তানে, অতঃপর...

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের ‘গোপন তথ্য’ পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে। জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে। 

রোববার (২৩ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।  

গ্রেপ্তার দুজনের নাম রোহিত (২৯) এবং সানত্রি (৩৭) বলে জানা গেছে। তারা উভয়েই উত্তর প্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা।

তাদেরকে কোচিন শিপইয়ার্ডের (মাল্পে-উদুপি ইউনিট) তথ্য পাচার করার অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরা পড়েছেন। এই শিপইয়ার্ড ভারতের বন্দর, নৌপথ ও শিপিং মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

জানা যায়, রোহিত শুশ্মা মেরিন প্রাইভেট লিমিটেডে ইনসুলেটর হিসেবে কাজ করতেন। এর আগে তিনি কেরালার কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, কেরালায় কর্মরত অবস্থায় তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ সংখ্যাসহ গোপন তথ্য অবৈধভাবে শেয়ার করেছিলেন এবং তদনুযায়ী সুবিধা অর্জন করেছিলেন। মাল্পেতে স্থানান্তরের পরও রোহিত কোচির এক বন্ধুর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে অন্য অনুমোদনহীন ব্যক্তিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়ে ছিলেন।

উদুপি কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইওর অভিযোগের ভিত্তিতে মাল্পে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারিক হেফাজতে রাখা হয়েছে। আর কেউ এই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, তা জানতেও তদন্ত চলছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়