শিরোনাম
◈ ইরানের ড্রোন ঠেকাতে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেজার অস্ত্র’ : নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন ◈ জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের আসল কাজ কী? (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

প্রকাশিত : ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের ‘গোপন তথ্য’ চলে গেল পাকিস্তানে, অতঃপর...

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের ‘গোপন তথ্য’ পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে। জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে। 

রোববার (২৩ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।  

গ্রেপ্তার দুজনের নাম রোহিত (২৯) এবং সানত্রি (৩৭) বলে জানা গেছে। তারা উভয়েই উত্তর প্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা।

তাদেরকে কোচিন শিপইয়ার্ডের (মাল্পে-উদুপি ইউনিট) তথ্য পাচার করার অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরা পড়েছেন। এই শিপইয়ার্ড ভারতের বন্দর, নৌপথ ও শিপিং মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

advertisement

জানা যায়, রোহিত শুশ্মা মেরিন প্রাইভেট লিমিটেডে ইনসুলেটর হিসেবে কাজ করতেন। এর আগে তিনি কেরালার কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, কেরালায় কর্মরত অবস্থায় তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ সংখ্যাসহ গোপন তথ্য অবৈধভাবে শেয়ার করেছিলেন এবং তদনুযায়ী সুবিধা অর্জন করেছিলেন। মাল্পেতে স্থানান্তরের পরও রোহিত কোচির এক বন্ধুর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে অন্য অনুমোদনহীন ব্যক্তিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়ে ছিলেন।

উদুপি কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইওর অভিযোগের ভিত্তিতে মাল্পে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারিক হেফাজতে রাখা হয়েছে। আর কেউ এই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না, তা জানতেও তদন্ত চলছে।

 

  • সর্বশেষ