মনিরুল ইসলাম : মডেলিং পেশার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পর্দা (হিজাব) করতে পারেন না—এমন মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন । সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তার এই বক্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিগত ইচ্ছা এবং পেশাগত বাস্তবতার মধ্যে একটি ভারসাম্যের কথাই তুলে ধরেছেন।
এ সময় আলোচিত- সমালোচিত মডেল জেবা তাকিয়া বলেন, তিনি নিয়মিত নামাজ আদায় করেন এবং ধর্মীয় চর্চার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে। তবে মডেলিং পেশার প্রকৃতির কারণে সবসময় পর্দা করা সম্ভব হয় না। তার ভাষায়, “আমি নামাজ পড়ি। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখি। কিন্তু আমার পেশার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পর্দা করতে পারি না।”
তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস অস্বীকার করছেন না; বরং ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত বাস্তবতার মধ্যে একটি দ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ করেছেন। বিনোদন ও ফ্যাশনভিত্তিক পেশাগুলোতে কাজ করতে গেলে অনেক সময় নির্দিষ্ট পোশাক ও উপস্থাপনার বাধ্যবাধকতা থাকে, যা পর্দার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে—এমন বাস্তবতাও উঠে আসে তার কথায়।
কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচনা করছেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে।
এদিকে, ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে এমন বক্তব্য প্রায়ই বিতর্ক তৈরি করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আলোচনায় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখানো এবং একই সঙ্গে সামাজিক সংবেদনশীলতা বজায় রাখা জরুরি।