শিরোনাম
◈ এল নিনোর প্রভাবে ফুলে ফুলে সেজেছে আতাকামা মরুভূমি (ভিডিও) ◈ ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ◈ আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন: জামায়াত আমির ◈ ‘ডিবি ভাই, একটু হ্যান্ডকাফ পরায়া নিয়ে যান না ভাই’: গ্রেফতারের সময় আখতারুজ্জামান ◈ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম আসছে আজ রাতে ◈ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট ◈ নেতানিয়াহু ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মিলে বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন: প্রেস টিভি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ পা‌কিস্তান নারী দল‌কে হারা‌লো বাংলা‌দেশ ◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার ◈ শিক্ষার্থী আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ ৪ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ০৫:১৩ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

'আল্লাহর পরিকল্পনা ছিল অন্যরকম'—বাংলাদেশিকে বিয়ে করে রুবিনার আবেগঘন স্বীকারোক্তি

ভালোবাসার কাছে হার মেনেছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দূরত্ব। সব বাধা-বিপত্তি মাড়িয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশের যুবকের হাত ধরে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় ভ্লগার রুবিনা মারুফ। বিয়ের খবর আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। এবার বিয়ের কারণ জানালেন মারুফ। 

সম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি পাকিস্তানি ভ্লগার লেখেন, “আমি একজন বাংলাদেশি পুরুষকে বিয়ে করেছি। প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার সময় মা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিলেন, ‘সেখানে যেন মারা না যাই বা বিয়ে না করি।’ কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে বড়। তিনি জানতেন, ‘আমি বাংলাদেশকে কতটা ভালোবাসি। নিজের শিকড়ের সঙ্গে কতটা গভীরভাবে যুক্ত অনুভব করি।”  

তিনি আরও লেখেন,বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বিয়ের দিন শাড়ি পরেছিলাম। পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে কাছাকাছি আনার আনন্দ প্রকাশ করতে এই পোশাক পরেছি। মা আমাদের বিয়ে নিয়ে খুব খুশি। বাবা আবেগাপ্লুত হলেও আনন্দিত। খুব শিগগিরই বাবা-মাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রুবিনা মারুফ জানান, তার স্বামীর নাম রকিবুল হাসান। বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কর্মরত। তাঁদের লাহোরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

advertisement

এর আগে তাঁদের বিয়ের খবর ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে রুবিনা মারুফ লিখেছিলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো বিষয়টা সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার কথা ছিল তা মেনে নেওয়ায় এমন এক আনন্দ দিয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় আশ্বাস। সীমান্ত পেরিয়ে এই ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত আনন্দিত এবং জীবনের বাকি সময় নিয়ে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

 

  • সর্বশেষ