শিরোনাম
◈ কথা দিচ্ছি, আর্জেন্টিনায় বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনতে সবটুকু উজাড় করে দেবো: নি‌কোলাস পাজ ◈ দুইবা‌রের সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাছাইপর্ব খেলা অপ্রত্যাশিত, বল‌লেন আ‌মির জাঙ্গু ◈ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: আজও দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছেন সহপাঠী-শিক্ষকরা ◈ মূলধন সংকটে বন্ধের মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংকের চার শাখা ◈ চীনে জ্বালানির দাম ১২% বৃদ্ধি, বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ ◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাতে ঢাকা মাতালেন ‘ফিফার সঞ্জয়’, বনানীতে সুরের জাদুতে উচ্ছ্বাস

মনিরুল ইসলাম : রাজধানীর আকাশে তখন বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনা, আর মাটিতে বনানীজুড়ে তরুণদের ঢল। ঠিক সেই মুহূর্তেই মঞ্চে উঠে যেন এক অন্য জগৎ তৈরি করলেন সঞ্জয় দেব—ফিফার মঞ্চ কাঁপানো এই ডিজে ঢাকাকেও মাতালেন তার বিটে, সাউন্ডে আর এনার্জিতে।

রোববার দিবাগত রাতে বনানীর পূজা মাঠে আয়োজিত ওয়ার্ল্ডকাপ নাইট’তে ছিলো সুরের মূর্চ্ছনা। ফ্যানফেস্ট যেন রূপ নেয় এক মিনি-ফিফা ফেস্টিভ্যালে। হাজারো দর্শকের সামনে ডিজে সেটে একের পর এক আন্তর্জাতিক ও নিজস্ব ট্র্যাক মিশিয়ে সঞ্জয় তৈরি করেন এক ঝড়ো আবহ।
বিশেষ করে তার বিখ্যাত ফিউশন বিট বাংলা ঢংয়ের সুরের সঙ্গে ইলেকট্রনিক ড্রপ—দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করে। উপস্থিত দর্শকরা মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে তাল মেলান, কেউ নাচে, কেউ চিৎকারে—সব মিলিয়ে বনানী যেন এক রাতের জন্য রূপ নেয় বৈশ্বিক মিউজিক এরিনায়।

সঞ্জয় সম্প্রতি FIFA World Cup 2026-এর উদ্বোধনী আয়োজনে পারফর্ম করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছেন। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামেও জায়গা পাওয়া এই শিল্পী ঢাকার দর্শকদের জন্য নিয়ে আসেন সেই আন্তর্জাতিক মঞ্চের অভিজ্ঞতা। 

অনুষ্ঠানে আসা এক দর্শক বলেন, “লাইভে এমন এনার্জি আগে দেখিনি। মনে হচ্ছিল আমরা ঢাকায় না, কোনো বিদেশি ফেস্টিভ্যালে আছি!”

আরেকজনের ভাষায়, “ফিফার সঞ্জয় আজ ঢাকার সঞ্জয়—পুরো শহর কাঁপিয়ে দিলো।”

শুধু কনসার্ট নয়, এক অভিজ্ঞতা এই আয়োজন শুধু গান শোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনালের সম্প্রচার, সঙ্গে লাইভ পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে রাতভর উৎসবের আবহ তৈরি হয়। আয়োজকদের ভাষায়, “ফুটবল আর মিউজিক—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই ছিল এই রাতের বিশেষত্ব।

বিশ্বকাপের উত্তেজনার সঙ্গে সুরের মাদকতা—এই দুইয়ের সংমিশ্রণে বনানীর রাতটি হয়ে উঠল স্মরণীয়। আর সেই স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এক তরুণ বাংলাদেশি—যিনি বিশ্ব মঞ্চ জয় করে এবার মাতালেন নিজের শহর ঢাকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়