শিরোনাম
◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নতুন ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছেছে ◈ এল নিনোর প্রভাবে ফুলে ফুলে সেজেছে আতাকামা মরুভূমি (ভিডিও) ◈ ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ◈ আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন: জামায়াত আমির ◈ ‘ডিবি ভাই, একটু হ্যান্ডকাফ পরায়া নিয়ে যান না ভাই’: গ্রেফতারের সময় আখতারুজ্জামান ◈ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম আসছে আজ রাতে ◈ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট ◈ নেতানিয়াহু ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মিলে বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন: প্রেস টিভি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ পা‌কিস্তান নারী দল‌কে হারা‌লো বাংলা‌দেশ ◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২৬, ০৯:৪৩ সকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কৌশলে পাকিস্তানের পতাকা প্রদর্শন এড়িয়েছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার

দেশের পাপেটশিল্পের পথিকৃৎ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার শুধু শিল্পী নন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধেরও একজন নীরব সংগঠক ছিলেন।

তৎকালীন ডিআইটি টেলিভিশন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ, পাকিস্তান দিবসে, সম্প্রচার শেষে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের নিয়ম এড়িয়ে যেতে একটি কৌশল নিয়েছিলেন তিনি।

তখন নিয়ম ছিল, রাত ১০টায় সম্প্রচার শেষ হলে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা দেখিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হবে। কিন্তু সেদিন পরিকল্পিতভাবে সম্প্রচারের সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত নেওয়া হয়। ওই সময়জুড়ে প্রচার করা হয় দেশাত্মবোধক গান ও বিশেষ অনুষ্ঠান। ফলে ২৩ মার্চ শেষ হয়ে যায় এবং পতাকা প্রদর্শনের নির্ধারিত সময়ও পেরিয়ে যায়।

পরে দায়িত্বে থাকা এক পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তার প্রশ্নের মুখে সম্প্রচার দীর্ঘায়িত হওয়ার ব্যাখ্যাও দেন মুস্তাফা মনোয়ার। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রচার সমাপ্ত করা হয়।

advertisement

মুস্তাফা মনোয়ার পরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণে উল্লেখ করেছেন, ওই ঘটনার পরদিন থেকেই তিনি আর টেলিভিশন কেন্দ্রে ফিরে যাননি।

স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন–এর মতো প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির বিকাশে রেখে যান গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

আজ তার মৃত্যুতে তাকে স্মরণ করা হচ্ছে এমন একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে, যিনি শিল্পচর্চার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধেও সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন।

  • সর্বশেষ