শিরোনাম
◈ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে অটল থাকার বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ হামে আক্রান্ত আরও ১২৪, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৫ শিশুর ◈ এক সম‌য়ের তু‌খোড় ফুটবলার আজ বাস কন্ডাক্টর ◈ ডকুমেন্টারিতে শহীদ আবু সাঈদের অনুপস্থিতি ‘দুঃখজনক’: হট্টগোলে ক্ষোভ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির ◈ লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দাম, এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ◈ জুলাই চেতনার ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ আমার কমনসেন্স বলে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ হাসিনা দেশে এলে রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ◈ জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ শুরু সেপ্টেম্বরে: গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী ◈ যুদ্ধবিরতির আশায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পতন

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৬ বিকাল
আপডেট : ১৫ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই বছর পর ওমরাহ করতে গিয়ে ছেলের সঙ্গে দেখা, আবেগে ভেঙে পড়লেন ওমর সানী

ঢালিউড অভিনেতা ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও স্ত্রী অভিনেত্রী মৌসুমী আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। একমাত্র কন্যা ফাইজাকে নিয়ে সেখানেই থিতু হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে এই তারকা দম্পতির ছেলে ফারদিন এহসান ব্যবসাসূত্রে থাকেন দুবাইয়ে।

দীর্ঘদিন বাবা-ছেলে একে অপরের থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে সৌদি আরবে দেখা হলো তাদের। দেশটির জেদ্দায় ব্যবসায়িক কাজে যান ফারদিন। কাকতালীয়ভাবে কিংবা পরিকল্পিতভাবে—সেখানেই উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ওমর সানী। দীর্ঘ দুই বছরের প্রতীক্ষার পর বাবা-ছেলের সাক্ষাৎ হয় এবং তারা একসঙ্গে ওমরাহ পালন করেন।

এই বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ওমর সানী। প্রকাশিত ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অভিনেতাকে। সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন দুই বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বাইরে। সে দুবাইতে কাজ করছে। জেদ্দায় ওর সঙ্গে দেখা হলো। লাভ ইউ বাবা। তোমার চোখের কান্না আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকিস বাবা। তুই যেন সবসময় সুখে-শান্তিতে থাকিস। আমার এই অনুভূতি বলে বোঝাতে পারব না।’  

বাবা-ছেলের এই অকৃত্রিম ভালোবাসার ভিডিও নেটিজেনদের আপ্লুত করেছে। দুই বছর পর তাদের এই দেখা এবং একসঙ্গে ইবাদত করাকে ঘিরে প্রশংসায় ভাসছেন তারা। সবার কাছে ছেলের জন্য দোয়া চেয়ে অভিনেতা বলেন, ‘ওর জন্য দোয়া করবেন। ও ওমরাহ করতে এসেছে। আল্লাহ যেন তাকে সবসময় সুস্থ ও নিরাপদ রাখেন।’

সানী আরও বলেন, ‘ফারদিন ও আমার একটি ছবি ওর মা মৌসুমীকে পাঠিয়েছিলাম। আমাদের একসঙ্গে দেখে সে অঝোরে কান্না করেছে। আমাদেরকে সে খুব বেশি মিস করছে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়