শিরোনাম
◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নতুন ইউরেনিয়াম দেশে পৌঁছেছে ◈ এল নিনোর প্রভাবে ফুলে ফুলে সেজেছে আতাকামা মরুভূমি (ভিডিও) ◈ ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ◈ আখতারুজ্জামানকে অবিলম্বে মুক্তি দিন: জামায়াত আমির ◈ ‘ডিবি ভাই, একটু হ্যান্ডকাফ পরায়া নিয়ে যান না ভাই’: গ্রেফতারের সময় আখতারুজ্জামান ◈ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম আসছে আজ রাতে ◈ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট ◈ নেতানিয়াহু ও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মিলে বিমান ছিনতাইয়ের নাটক সাজিয়েছেন: প্রেস টিভি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ পা‌কিস্তান নারী দল‌কে হারা‌লো বাংলা‌দেশ ◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১৬ রাত
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হওয়ার মতো কিছু করিনি: মেহের আফরোজ শাওন

রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে যেভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার আসামি করা হয়েছে, সে ধরনের কোনো কাজ তিনি করেননি বলে দাবি করেছেন।

‘আমি শুনেছি যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। এখন সন্ত্রাস জিনিসটা তো আসলে দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। কাজেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু করেছি বলে আমি মনে করি না এবং আমি নিশ্চিত, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হবার মতো কিছু আমি করিনি’ মামলার বিষয়টি জানতে পারার পর সোমবার বিকেলে বিবিসি বাংলাকে বলেন মিজ শাওন।

মামলাটিতে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মডেল মারিয়া কিশপট্ট ও উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজকেও আসামি করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উস্কানি’ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘কটুক্তি’ করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এর আগে তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগ দাখিল করেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ।

advertisement

অভিযোগ অস্বীকার করে মিজ শাওন বলেন, ‘আমি আমার কিছু মতপ্রকাশ করেছি, যা কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যায় না। আমি আজ পর্যন্ত কোনো দলের নাম বা নেতার নাম ব্যবহার করে কিছু লিখিনি; পক্ষে হোক, বিপক্ষে হোক।’

‘আমি কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক না। আমি দেশের একজন সাধারণ নাগরিক। সেই নাগরিকের জায়গা থেকে আমার যখন কষ্ট লেগেছে, খটকা লেগেছে, আমার যখন মনে হয়েছে, জিনিসটা ঘটা উচিৎ হয়নি, তখন আমি সেই মতামতটা প্রকাশ করেছি।’

‘সেই একাত্তর থেকে আমরা কি চেয়েছি? আমরা তো আসলে মতপ্রকাশ করতেই চেয়েছি। চব্বিশের জুলাইতেও যেই কথাটা বলা হয়েছিল, সেটা হলো- বাক-স্বাধীনতা। এখন একদম সিম্পল মতপ্রকাশেই যদি মামলা করতে হয়, আর মামলা করলেই যদি গ্রেফতারের ভয়টা থাকে, তাহলে সেই বাকস্বাধীনতাটা কোথায় গেল?’ বলেন মিজ শাওন।

সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

  • সর্বশেষ