শিরোনাম
◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব? ◈ আওয়ামী লীগের দ্রুত পুনরুত্থান কেন এখনই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে?

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:০১ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোক্তা অধিদপ্তরে তলবের পর ডা. এজাজের কঠোর সিদ্ধান্ত

শোবিজের জনপ্রিয় মুখ ডা. এজাজুল ইসলাম। যিনি ডা. এজাজ নামেই বেশি পরিচিত। বৈচিত্রময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয় জয় করেছেন তিনি। বিশেষ করে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বহু নাটক ও সিনেমায় তার চরিত্রগুলো এখনো দর্শকদের আনন্দ দেয়। সম্প্রতি এই অভিনেতা জানালেন বাজে এক অভিজ্ঞতার কথা। প্রকাশ করলেন ক্ষোভও।

খাঁটি-ঘি নামে একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার পর ভোক্তা অধিদপ্তরে তলব এবং গ্রাহকদের প্রতারণার অভিযোগে হতাশ হয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের কোনো বিজ্ঞাপন করবেন না।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতা গণমাধ্যমকে জানান, অনলাইনে নানা বিজ্ঞাপন দেখেও তিনি ভরসা পাননি। কিন্তু ডা. এজাজকে ঘিয়ের প্রচার করতে দেখে বিশ্বাস করে কিনেছিলেন। পরে পণ্যের মান নিম্নমানের হওয়ায় প্রতারণার শিকার হন। এমন অভিযোগ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিদপ্তরে ডেকে পাঠায় ডা. এজাজকে। তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত।

যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়- বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি।

তিনি বলেন, বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি।

সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন, ‘এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করবো না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।’

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়