শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২৬, ১০:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে ‘মব’ করার ইঙ্গিত দিলেন সর্বমিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যদি মব করতে হয় তাহলে আমরা রাজি। 

শুক্রবার (৮ মে) ভোরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।  

ফেসবুক পোস্টে  ডাকসুর এই নেতা লেখেন, গতকাল সিন্ডিকেট মিটিংয়ে ডাকসুকে ব্যর্থ করার অপচেষ্টা নিয়ে অনেক কথা বলেছি। এক অফিস থেকে আরেক অফিসে দৌঁড়াই কিন্তু কাজ আটকে থাকে, আমরা ডাকসু থেকে এক টাকা বেতন পাই না, নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছি, স্রেফ শিক্ষার্থীদের জন্য। 

সর্বমিত্র লেখেন, আমাদের এ আন্দোলনে স্বশরীরে উপস্থিত না থাকলেও হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সমর্থন রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নানাভাবে দিনের পর দিন ভোগান্তির শিকার। ভিসি স্যার আমাদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনকে সরাসরি ‘মব’ বলে অভিহিত করেন। সেই প্রেক্ষিতে আমি বলেছি , ‘স্যার, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যদি মব করতে হয় তাহলে আমরা রাজি।’ 

কারণ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে দিনের পর দিন কাজ আটকে রাখে, ডাকসু ফান্ড আনলেও কাজ আটকে দেয়। এদিকে আমাদের কিচ্ছু করার থাকে না। দিনশেষে শিক্ষার্থীদের থেকে কথা শুনতে হয় আমাদের, তারা তো আর ট্রেজারারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ দেখেনি। 

ডাকসুর এই নেতা লেখেন, আজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। কারণ, প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে, সিস্টেম মেনে আমাদের অধিকার আদায় হচ্ছে না বরং সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। শুধু আদর্শিক দ্বন্দ্বের কারণে ডাকসুকে ব্যর্থ করতে তারা পুরো চল্লিশ হাজার শিক্ষার্থীকে ভোগান্তিতে ফেলছে। তারপর, আমরা প্রতিবাদ করলে সেটা মব হয়ে যায়।

  • সর্বশেষ