শিরোনাম
◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ আমার সাথে যা হয়েছে, এখন প্রতিশোধ নিলে সেটা ফেরত পাব না: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার ◈ দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:১৩ দুপুর
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভৈরবে খিরার বাম্পার ফলনে অধিক লাভের স্বপ্ন দেখছে কৃষক 

ইমন মাহমুদ, ভৈরব(কিশোরগঞ্জ): [২] কিশোরগঞ্জের ভৈরবে খিরা চাষ করে লাভবান হচ্ছে শিমুলকান্দি ইউনিয়নের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খিরার ফলন ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে উপজেলার রাজনগর গ্রামের কৃষকদের মুখে। 

[৩] কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় গত বছর থেকে এ বছরে খিরা চাষ বেড়েছে এ অঞ্চলে। খিরা চাষ করে অনেক কৃষকই এখন স্বাবলম্বী হয়েছে। কৃষক স্বপন মিয়া, সিদ্দিক মিয়া ও কাজল মিয়া জানান, অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে অধিক লাভ হওয়ায় খিরা চাষের প্রতি তাদের আগ্রহ বেড়েছে।

[৪] তারা আরো জানান, এক বিঘা জমিতে খিরা চাষ করতে ১১ হাজার টাকামত খরচ হয়। আর বাজারজাত ও শ্রমিক খরচসহ আরো ৪ হাজার টাকা খরচ হয়। সব মিলিয়ে ১৫ হাজার টাকার মতো প্রতি বিঘায় খিরা চাষ করতে খরচ হয়। পরে প্রতি বিঘা খিরা বিক্রি করতে পারি ৮০  থেকে ৯০ হাজার টাকা। এতে আমাদের ৫০-৭০ হাজার টাকা মত লাভ থাকবে। এই দিকে উপজেলার রাজনগর গ্রামে চারদিকে তাকালে শুধু খিরা আর খিরা ক্ষেত দেখা যায়। নারী পুরুষ ও শিশু খিরা ক্ষেতে কাজে ব্যস্ত। কেউবা খিরা তুলছে, কেউবা বাছাই করছে আবার কেউবা বস্তায় ভরছে। 

[৫] খিরা ক্ষেত থেকে খিরা তুলতে আসা মুক্তা বেগম জানান, খিরা চাষে খরচ কম অধিক লাভ । তাই আমার স্বামী এ বছর খিরা চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় আমরা লাভবান। আগামীতে আরো বেশি জমিতে চাষ করবো। 

[৬] খিরা কিনতে আসা পাইকার এনামুল হক ও হৃদয় জানান, এ বছর ৭শত থেকে ১ হাজার টাকা মন প্রতি খিরার দাম ধরা হয়েছে। যাতায়াত ভাড়া ও অন্যান্য খরচসহ প্রতি মন ১১শ থেকে সাড়ে ১১শ টাকা খরচ পড়ে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৩৫ টাকা ধরে বিক্রি করছি। কেজি ৫টাকা ও মন প্রতি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা লাভ হচ্ছে। এ বছর দাম কম হওয়ায় খুচরা বিক্রি বেশি।

[৭] ভৈরব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম সাংবাদিকদের জানান, পতিত জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনতে সরকারি একটি প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় কৃষক-কৃষাণী পরিবারকে বিনামূল্যে বীজ-সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ও  এই প্রকল্পের মধ্যে কৃষকরা সবজি চাষে সমস্যার মুখোমুখি হলে তাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছি আমরা। সম্পাদনা: এ আর শাকিল

প্রতিনিধি/এআরএস

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়