শিরোনাম
◈ ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে পরপর দুই ককটেল বিস্ফোরণ ◈ গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ ◈ অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, বাংলাদেশের ঋণমান নিয়ে মুডিসের সুখবর ◈ আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম: ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন ◈ দুই দিনে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে ২৭ কোটি ঘনফুট ◈ ইউএইতে ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমাধান চান প্রবাসীরা ◈ মক্কায় হামলার সতর্কতা জারি করে প্রত্যাহার করল সৌদি আরব ◈ ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা! ◈ শিক্ষার্থীর ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে শিক্ষক বললেন, ‘নেক্সটে ফোন আনতে চিন্তা কইরো’

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:২৬ রাত
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, বাংলাদেশের ঋণমান নিয়ে মুডিসের সুখবর

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে বাড়িয়ে আবার ‘স্থিতিশীল’ করেছে। 

তবে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও খেলাপি ঋণের উচ্চ হার অব্যাহত থাকায় দেশটির বর্তমান রেটিং ‘বি২’-তেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

advertisement

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মুডিসের এই নতুন মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নতুন সরকারের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন থাকায় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখন সংস্কার কাজে বড় কোনো বাধা তৈরি করছে না। 

এছাড়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করছে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে ‘নেতিবাচক’ করেছিল এই সংস্থাটি।

advertisement

খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মুডিসের এই ইতিবাচক মূল্যায়নের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়বে। এর ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশের ব্যাংকগুলোর জন্য ডলার বা বৈদেশিক ঋণের সীমা বাড়িয়ে দেবে, যা সহজ শর্তে আমদানি বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে হুন্ডিমুক্ত রেকর্ড রেমিট্যান্স আসার ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দিয়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যেখানে ২০২৪ সালে রিজার্ভ নেমে এসেছিল ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে।

advertisement

পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মুডিস। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরগুলোতে তা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছানো এবং তা সামাল দিতে বড় অংকের মূলধন প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এছাড়া দেশের সর্বনিম্ন রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা, মোট রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ পরিশোধে চলে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ খাতের কিছু দুর্বলতার বিষয়টিকেও সামনে এনেছে মুডিস।

 

  • সর্বশেষ