ডেস্ক রিপোর্ট: একসময় দেশের দরিদ্রতম বিভাগ ছিল রংপুর। তবে সেই তকমা এখন বরিশালের। গত বছর প্রকাশিত দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের মধ্যে এখন বরিশালে দারিদ্রের হার সবচেয়ে বেশি।
‘ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল’—প্রচলিত প্রবাদটি বরিশাল অঞ্চলের সমৃদ্ধির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একসময় বরিশাল ‘বাকলা’ নামে পরিচিত ছিল। ‘বাকলা’ অর্থ শস্য ব্যবসায়ী। বরিশালের বন্দরে আসতেন দূর দেশের বণিক। কৃষি উৎপাদনে ‘বাংলার শস্যভাণ্ডার’ আর নদী-খালের সৌন্দর্যে ‘বাংলার ভেনিস’—এমনই ছিল বরিশালের খ্যাতি। তবে সে সমৃদ্ধির দিন এখন অতীত। ---সূত্র, বণিকবার্তা
নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ অবকাঠামোর অভাব, শিল্পায়ন না হওয়া, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, কর্মসংস্থানের অভাবে বরিশাল এখন দেশের দরিদ্রতম বিভাগ। অথচ গ্যাসের বৃহৎ মজুদ ভোলায়। অনেক জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উঠে এসেছেন এ অঞ্চল থেকে। স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ ও কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বিভাগের সড়ক অবকাঠামো অবহেলিত ছিল, গ্যাস থাকলেও কাজে লাগানো যায়নি রাজনৈতিক সদিচ্ছার কারণে। সেই সঙ্গে শিল্পকারখানা গড়ে না ওঠায় তৈরি হয়নি কর্মসংস্থান। ভাগ্য বদলাতে তাই স্থানীয়দের বড় অংশ ঢাকামুখী হয়েছে।
শস্যভাণ্ডার বরিশালে কমছে ধান উৎপাদন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ইয়ারবুক অব এগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিকস-২০২৫ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে আউশ উৎপাদনে বরিশাল বিভাগ চতুর্থ, আমন উৎপাদনে পঞ্চম ও বোরো উৎপাদনে অষ্টম।
একসময় দেশের দরিদ্রতম বিভাগ ছিল রংপুর। তবে সেই তকমা এখন বরিশালের। গত বছর প্রকাশিত দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের মধ্যে এখন বরিশালে দারিদ্রের হার সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, দেশের ১৯ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বরিশাল বিভাগে এ হার ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। কাজের খোঁজে সেখানকার মানুষ জড়ো হচ্ছে ঢাকায়।
ঢাকায় সবচেয়ে বেশি অভিবাসন ঘটেছে বরিশাল থেকে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর তথ্য অনুসারে, বরিশালের স্থানীয়দের ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এখন রাজধানীতে বসবাস করছে। তবে এ অভিবাসীদের বড় অংশই দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুযায়ী ঢাকা শহরের বস্তিতে থাকা প্রায় ১৩ শতাংশ মানুষ বরিশালের।
ভোলায় প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ থাকা সত্ত্বেও ব্যবহারের সুযোগ না হওয়ায় বরিশাল বিভাগ শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত গ্যাস অবকাঠামো, পাইপলাইন ও পরিকল্পিত শিল্পায়নের অভাবে সম্ভাবনাময় এ সম্পদ বরিশালের কার্যকর অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ নিতে পারেনি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্সে) তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় বর্তমানে ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস মজুদ আছে। ১৯৯৫ সালে ভোলায় প্রথম শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতিতে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ছিল হাসানাত পরিবারের প্রভাব। আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই। অন্যদিকে ঝালকাঠিতে ছিলেন আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর নেতা আমির হোসেন আমু। কিন্তু দীর্ঘদিনের এ আওয়ামী আধিপত্য অঞ্চলটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে, মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। বরং তাদের এ প্রতাপের সময়ই বরিশাল আরো দরিদ্র হয়েছে।
ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা বাজার
বরিশাল অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা নদীনির্ভর হওয়ায় সেখানে সমন্বিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতি পায়নি বলে মনে করেন অনেকে। ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করেছে। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া সরকার ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি গ্যাস ব্যবহার করে একটি সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
কৃষি ও মৎস্যসম্পদে সমৃদ্ধ বরিশালে দুটোরই উৎপাদন কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বরিশালে আউশ উৎপাদন ছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ২০ টন, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কমে হয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯৯ টন। অন্যদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমন উৎপাদন ছিল ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৯ টন, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কমে হয়েছে ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ টন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতির অধ্যাপক এএইচএম সাইফুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বরিশালকে একসময় শস্যভাণ্ডার বলা হতো। সেখানে প্রচুর ধান উৎপাদন হতো। এখন সেটি অনেক কমে এসেছে। এর প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। বরিশাল জিওগ্রাফিক্যালি ক্লাইমেট ভালনারেবল। সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেশে সবার আগে বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোতেই আঘাত করছে। এরপর মাটি ও পানির লবণাক্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে কৃষক অনেক জমিতে চাইলেও ফসল ফলাতে পারছেন না। তারা বাধ্য হয়ে চিংড়ি কিংবা অন্য কিছু করছেন। এগুলো কৃষি উৎপাদন কমার কারণ।’
মৎস্যসম্পদে সমৃদ্ধ বরিশালের প্রধান শক্তি ইলিশ। দেশের মোট ইলিশের বড় অংশ এ বিভাগ থেকে আসে। কয়েক বছর আগেও দেশের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৬৬ শতাংশ এসেছে এ অঞ্চল থেকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইলিশ আহরণে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিভাগে রেকর্ড ৩ লাখ ৭২ হাজার টন ইলিশ উৎপাদন হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমেছে ২ লাখ ৬৬ হাজার টনে। তিন বছরে উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
সম্প্রতি প্রকাশিত বিবিএসের ইনকাম অ্যান্ড প্রডাক্টিভিটি অব স্মল স্কেল ফুড প্রডিউসারস সার্ভে ২০২৫-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ধান, গম, শস্যের ক্ষেত্রে বরিশালের কৃষকদের আয় সবচেয়ে কম। তাদের বছরে নিট আয় মাত্র ৬ হাজার ৮১ টাকা, যা দেশের আট বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন। আবার প্রাণিসম্পদের ক্ষেত্রে একজন কৃষকের বার্ষিক নিট আয় ৫১ হাজার ৯৭৪ টাকা, যা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এছাড়া মৎস্যসম্পদের ক্ষেত্রে বার্ষিক নিট আয় ২৮ হাজার ৯১০ টাকা, যা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য। বড় রাজনৈতিক নেতা থাকা সত্ত্বেও বরিশালের উন্নয়ন কেন পিছিয়ে পড়ল জানাতে চাইলে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘গত ২০ বছরে দক্ষিণাঞ্চলে বড় নেতা দু-একজন যারা ছিলেন, তারা মূলত জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেই মনোযোগী ছিলেন। নিজ নিজ আসনের উন্নয়নে কাজ করলেও পুরো অঞ্চলের পরিকল্পিত, সমন্বিত উন্নয়নের কথা কেউ ভাবেননি। এটিই আমার মতে দক্ষিণাঞ্চলে সমন্বিত উন্নয়ন না হওয়ার একটি বড় কারণ।’
মো. নুরুল হক আরো বলেন, ‘ভোলার গ্যাসসম্পদ কাজে লাগিয়ে সেখানে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা করা যেত। বরিশাল সংযোগ সেতু নির্মিত হলে এ অঞ্চলে একধরনের কানেক্টিভিটি তৈরি হতো। এতদিন এসব উদ্যোগের অনেক কিছুই প্রয়োজন ছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে একধরনের বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে—অনেক জমিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। আমি আমার জায়গা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য একটি সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।’
মাটির নিচে গ্যাস থাকলেও বরিশাল অঞ্চলে আশানুরূপ শিল্পায়ন ঘটেনি। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ২৩ জেলায় কলকারখানা রয়েছে ২৮ হাজার ৪৬৫টি। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগের একমাত্র জেলা হিসেবে বরিশাল নগরীতে কলকারখানা আছে ৪০৯টি, যা ২৩ জেলার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এসব কলকারখানায় শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জেলা এমনকি বিভাগ হিসেবে বরিশালে যে ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিশেষত শিল্প-কলকারখানা গড়ে ওঠা দরকার ছিল তা হয়নি। একসময় বরিশালে ধান ও মাছকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক তৎপরতা ছিল, সেটাও এখন অতীতের তুলনায় কম। অর্থাৎ উন্নয়নকে চিন্তা করলে একটি জেলায় যে ধরনের কর্মসংস্থান হওয়ার কথা তার সংকট রয়েছে।’
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বাদে বিভাগে বাকি পাঁচ জেলায় কোনো কলকারখানা নেই। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ‘বেকারত্ব দূর করতে এখানে শিল্প-কলকারখানা স্থাপন করা দরকার। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ঝালকাঠি সম্ভাবনাময় জেলা। এখানের পেয়ারা ও শীতলপাটি ঐতিহ্যবাহী। তবে বেকারত্ব দূর করতে জেলায় শিল্প-কলকারখানা স্থাপন করা দরকার।
সড়ক নির্মাণ, সার কারখানা, বিদ্যুৎ প্লান্ট, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, ইলিশসম্পদ সংরক্ষণ কেন্দ্র, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা স্থাপনসহ একটি কার্যকর অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপ দিয়ে ভোলাসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলকে সমন্বিত উন্নয়নে যুক্ত করতে চায় বর্তমান সরকার।
স্থানীয়রা বলছেন, রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য, মাছ, ইলিশসহ স্থানীয় পণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব হবে। আবার শিল্পের কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় পণ্যও সহজে ভোলায় আনা যাবে।
বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ধান, নদী, খাল—এই তিনে বরিশাল। এ প্রবাদ পরিচয়ে ভর করে কৃষি অর্থনীতিই ছিল দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান অর্থনীতি। কালের বিবর্তনে কৃষি অর্থনীতি সংকুচিত হয়ে আসছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের অপ্রতুলতা এবং দুর্গম যোগাযোগের কারণে উপকূলীয় এ অঞ্চলে শিল্প গড়ে ওঠেনি।’
বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে নতুন অর্থনীতির পরিকল্পনা করেছেন তা দক্ষিণাঞ্চলের চ্যালেঞ্জগুলোকে সঠিকভাবে মোকাবেলা করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
ভোলার গ্যাস উত্তোলন করে সঠিক ব্যাবহার, পায়রা বন্দরকে সচল করা, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তর করা ও ছয় লেনের সড়ক নির্মাণ করে দেশব্যাপী পণ্য পরিবহন ও যোগাযোগ নিশ্চিত করার শর্তগুলো পূরণ করলে দ্রুতই দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক কাঠামো পরিবর্তন হবে, যা শুধু দক্ষিণাঞ্চলের দারিদ্র্যকেই দূর করবে না; অবদান রাখবে জাতীয় অর্থনীতিতে।