স্পোর্টস ডেস্ক : উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয় পাঁচবারের রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এরপরই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন নেইমার। ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। ব্রাজিলের হয়ে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে (২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬) গোল করা দুজন খেলোয়াড়ের একজন তিনি, অন্যজন কিংবদন্তি পেলে। হাঁটুর চোটে ২০২৬ সালের আসরে নেইমারের খেলা নিয়ে ছিল সংশয়। শেষ পর্যন্ত কেবল দুটি ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি।
নেইমার পরেও বলেছেন, জাতীয় দলের হয়ে আর খেলার ইচ্ছা তার নেই। তার ক্লাব ক্যারিয়ার হয়তো দীর্ঘ হবে না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। সিএনএন এস্পোর্তেসকে রোববার দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, “তার মানের কারণেই সেখানে (বিশ্বকাপে) থাকা তার প্রাপ্য ছিল।
নেইমার ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে, সে জাতীয় দলে ফিরতে চায় না। নেইমারের বিকল্প পাওয়া সম্ভব নয়, কারণ সে এক অসাধারণ ও অনন্য প্রতিভা। তাই তার বিকল্প হবে না।
আসন্ন আন্তর্জাতিক বিরতিতে ব্রাজিল দুইবার খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবং প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে খেলবে তারা।
ম্যাচগুলোর জন্য আনচেলত্তি ইতোমধ্যেই নতুন চেহারার দল ঘোষণা করেছেন, যেখানে কাজেমিরো, ফাবিনিয়ো ও আলিসনের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের রাখা হয়নি, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া জোয়াও পেদ্রো দলে ফিরেছেন। তরুণ খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বললেন আনচেলত্তি।
আমি মনে করি, আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। এখন আমাদের সেই তরুণ খেলোয়াড়দের দিকে মনোযোগ দিতে হবে, যারা হতে পারে ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়রা। আমাদের ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া মানসম্পন্ন কিছু তরুণ খেলোয়াড় আছে, যারা এখনও (জাতীয় দলে) খেলছে না, কিন্তু খেলার সামর্থ্য রাখে।
“তাদের বয়সের কথা মাথায় রেখে এবং সেটিকে সম্মান জানিয়ে এখনই তাদের দিকে নজর দেওয়ার সময়। এটা সত্যি যে, একজন খেলোয়াড় ৩৬ বা ৩৭ বছর বয়সেও খুব ভালো খেলতে পারে। এখন তরুণ খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেওয়ার সময়।