বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আবারও এক কঠিন পরীক্ষার মুখে। বৈশ্বিক বাজারে দীর্ঘদিনের প্রতিযোগিতা, মূল্যচাপ, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্রেতাদের কঠোর কমপ্লায়েন্সের চাপ সামলে যখন নতুন প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত, ঠিক তখনই তীব্র গ্যাস সংকট শিল্পকে নতুন এক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
শিল্প উদ্যোক্তাদের আশঙ্কা, সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা না গেলে ক্ষতি শুধু কয়েক সপ্তাহের উৎপাদন বা কিছু রফতানি চালানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা নষ্ট হতে পারে, আর সেই আস্থা হারালে বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা বাজারের একটি অংশ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে অনেক কারখানায় উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। কোথাও কোথাও উৎপাদন আরও বেশি হারে কমেছে, আবার কিছু ডাইং ও প্রসেসিং ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধও রাখতে হয়েছে। বিশেষ করে গাজীপুর, সাভার, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিল্পকারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয়।
আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও রিটেইলার তৈরি পোশাক সংগ্রহ করে। এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স, মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার, প্রাইমার্ক, গ্যাপ, ওয়ালমার্ট, নাইকি, লেভিস, পিভিএইচ, নেক্সট, ম্যাঙ্গো, টার্গেট, আমেরিকান ঈগলসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর অনেকেই বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
গ্যাস সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে পণ্য উৎপাদন ও শিপমেন্ট সম্ভব হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের প্রধান উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। অনেক ক্রেতা ইতোমধ্যে কারখানাগুলোর কাছে ই-মেইলে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চেয়েছেন। কেউ কেউ উৎপাদন সক্ষমতার তথ্য, বিদ্যুৎ ও জেনারেটর ব্যবহারের রেকর্ড সংগ্রহ করছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কমপ্লায়েন্স টিম সরাসরি কারখানা পরিদর্শন করেও বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্রেতারা এখন শুধু মৌখিক আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন। তারা জানতে চাইছেন, সংকট কতদিন থাকবে, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা পরিকল্পনা কী এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিজিএমইএ ও বায়ার্স ফোরামের জরুরি বৈঠক
এই প্রেক্ষাপটে ঢাকায় আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সংগঠন বায়ার্স ফোরাম বাংলাদেশ–এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
বৈঠকে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মহেশখালীর বিকল ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আগামী ৬ থেকে ৭ আগস্টের মধ্যে মেরামত সম্পন্ন হতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহের উন্নতি শুরু হবে এবং ৮ আগস্টের পর শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ১৪ আগস্টের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হতে পারে।
বিজিএমইএ আরও অনুরোধ জানায়, যেসব কারখানা এই সংকটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত শিপমেন্ট বিলম্বের সুযোগ যেন ক্রেতারা কেস-বাই-কেস ভিত্তিতে বিবেচনা করেন।
সবচেয়ে বড় সংকট উৎপাদন নয়, আস্থার
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, গ্যাস সংকটের কারণে পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। কোথাও উৎপাদন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
তার মতে, আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় উদ্বেগ হলো আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা।
কারণ, অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয় কোনো না কোনোভাবে সমন্বয় করা সম্ভব হলেও সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা সহজেই বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারেন। একবার কোনো ব্র্যান্ড অন্য দেশে সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুললে সেই বাজার পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
ডাইং ও ফিনিশিং খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
গ্যাস সংকটের সবচেয়ে বড় আঘাত লেগেছে ডাইং, ওয়াশিং ও ফিনিশিং খাতে। এই প্রক্রিয়াগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চচাপের গ্যাস অপরিহার্য। কিন্তু অনেক শিল্পাঞ্চলে যেখানে অন্তত ১৫ পিএসআই চাপ প্রয়োজন, সেখানে গ্যাসের চাপ নেমে এসেছে ১ থেকে ৩ পিএসআই, অনেক সময় শূন্যের কাছাকাছি।
ফলে বয়লার সচল রাখা যাচ্ছে না, ডাবল ডাইং, কমপ্যাক্টিং, ফিনিশিং ও স্টিমিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ধাপ ব্যাহত হচ্ছে। এতে আধা-প্রস্তুত কাপড় জমে যাচ্ছে, উৎপাদন চক্র দীর্ঘ হচ্ছে এবং পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা ধীর হয়ে পড়ছে।
শিল্প উদ্যোক্তাদের ভাষায়, শুধু সেলাই কারখানা সচল থাকলেই হবে না; ডাইং ও ফিনিশিং বন্ধ থাকলে শেষ পর্যন্ত শিপমেন্ট সময়মতো দেওয়া সম্ভব নয়।
বিকল্প জ্বালানির খরচ বাড়াচ্ছে উৎপাদন ব্যয়
গ্যাসের অভাবে অনেক কারখানাকে ডিজেলচালিত জেনারেটর, এলপিজি বা সিএনজির মতো ব্যয়বহুল বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের দাম আগেই নির্ধারিত থাকে। ফলে এই অতিরিক্ত ব্যয় উদ্যোক্তাদেরই বহন করতে হচ্ছে, যা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ
নারায়ণগঞ্জের পোশাক ও নিটওয়্যার শিল্পে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, জেলার প্রায় ১ হাজারের বেশি রফতানিমুখী কারখানা গ্যাস সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে পারছে না।
অনেক ডাইং কারখানা কার্যত বন্ধ। অনেক প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে গেছে। কিছু কারখানায় মাত্র কয়েক ঘণ্টা উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে।
বিকেএমইএর নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে আরও বহু ডাইং কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে শুধু উৎপাদন নয়, হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
আন্তর্জাতিক বাজার হারানোর বাস্তব ঝুঁকি
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক পোশাক বাজারে এখন প্রতিযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো নতুন ক্রয়াদেশ আকর্ষণে সক্রিয়। ফলে বাংলাদেশ যদি ধারাবাহিকভাবে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারে, তাহলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকতে পারে।
পোশাক শিল্পে একটি অর্ডার হারানো মানেই শুধু একটি চালান হারানো নয়; অনেক ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্কও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এখন শুধু কম দামের পণ্য চান না; তারা নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, সময়নিষ্ঠ শিপমেন্ট এবং স্থিতিশীল উৎপাদন পরিবেশকে সমান গুরুত্ব দেন। তাই জ্বালানি নিরাপত্তা এখন বাংলাদেশের রফতানি সক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচকে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমানে পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় সংকট উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রধান শক্তি হলো নির্ধারিত সময়ে মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করার সক্ষমতা। গ্যাস সংকটের কারণে যদি সেই সক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে এর প্রভাব কয়েক সপ্তাহের উৎপাদন ক্ষতির চেয়েও অনেক বেশি হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো এখন তাদের সরবরাহ ব্যবস্থায় ঝুঁকি কমানোর কৌশল অনুসরণ করছে। কোনও একটি দেশে উৎপাদনে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে তারা খুব দ্রুত বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়ে। ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া কিংবা পাকিস্তানের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো সেই সুযোগ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ফলে সময়মতো শিপমেন্ট দিতে না পারলে শুধু একটি অর্ডার নয়, ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্কও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা শুধু কম দামের পণ্য খোঁজেন না; তারা উৎপাদনের ধারাবাহিকতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সময়নিষ্ঠ ডেলিভারিকে সমান গুরুত্ব দেন। তাই গ্যাস সংকটকে শুধু জ্বালানি সমস্যার দৃষ্টিতে দেখলে হবে না। এটি এখন বাংলাদেশের রফতানি প্রতিযোগিতা, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, স্বল্পমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোকে সময়মতো গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে নিয়মিত ও স্বচ্ছ যোগাযোগ বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে নতুন এলএনজি অবকাঠামো, স্থলভিত্তিক গ্যাস সংরক্ষণ ব্যবস্থা, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিশ্ববাজারে আস্থা হারানো খুব সহজ, কিন্তু সেই আস্থা পুনরুদ্ধার করতে অনেক বছর সময় লাগে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে তাই জ্বালানি নিরাপত্তাকে এখন জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদি সমাধান ছাড়া ঝুঁকি কাটবে না
শিল্পমালিকদের মতে, সাময়িকভাবে এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের মাধ্যমে বর্তমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধান জরুরি।
তারা নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দ্রুত স্থাপন, স্থলভিত্তিক এলএনজি সংরক্ষণাগার নির্মাণ, গ্যাস সরবরাহ অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।
তাদের মতে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প শুধু দেশের প্রধান রফতানি খাত নয়; এটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি। সেই খাত যদি জ্বালানি অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা হারাতে শুরু করে, তাহলে এর প্রভাব শুধু শিল্পেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পুরো অর্থনীতির ওপরই তার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বর্তমান সংকট তাই কেবল একটি জ্বালানি সমস্যা নয়; এটি বাংলাদেশের রফতানি সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সুনাম এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এখন দ্রুত, কার্যকর ও টেকসই সমাধানই নির্ধারণ করবে—বাংলাদেশ বিশ্ব পোশাক বাজারে তার শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে পারবে, নাকি দীর্ঘদিনের অর্জিত বাজারের একটি অংশ প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে হারাতে শুরু করবে।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন