মনজুর এ আজিজ: যাত্রিক ক্রটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। এতে করে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সারাদেশে গ্যাস সংকট ক্ষেত্রবিশেষে স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন ও মাইন্স) প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল সকাল থেকে টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে ভাসমান টার্মিনালটি (এফএসআরইউ)। এ কারণে এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে। এক্সিলারেট জানিয়েছে, তারা মেরামতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি কালকের মধ্যেই চালু করা সম্ভব হবে।
এক সময়ে দেশীয় গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে দৈনিক ২৮০০ মিলিয়নের মতো গ্যাস উৎপাদিত হলেও এখন ১৬৪৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। মজুদ কমে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত কমে আসছে উৎপাদন। ঘাটতি সামাল দিতে ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানি শুরু করা হয়। এ জন্য দু’টি এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১১’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। সাগর উত্তাল হলেই এলএনজি খালাস বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকদিন আগেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ ছিল।
বর্তমানে প্রতিশ্রুত গ্রাহকের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৫৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। যার বিপরীতে আমদান্সিহ কমবেশি ২৬০০ মিলিয়ন সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া ১৬৪৫ মিলিয়নের পাশাপাশি সামিট গ্রুপ পরিচালিত এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৫৬০ মিলিয়নের মতো সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সরবরাহ প্রায় ২২০০ মিলিয়নে নেমে নেসেছে। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি জানিয়েছে তাদের সবশ্রেণির গ্রাহকরা স্বল্পচাপ সংকটে ভুগছেন।