শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৪ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাহুল গান্ধীকে কোথায় নিয়ে গেছে পুলিশ, জানেন না দলের নেতারা

ভারতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে গেছে দিল্লি পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) লোককল্যাণ মার্গের এই অবস্থান কর্মসূচি থেকে তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদবসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকেও আটক করা হয়েছে। তবে পুলিশ রাহুল গান্ধীকে কোথায় নিয়ে গেছে, তা কংগ্রেস নেতাদের জানানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

advertisement

দিল্লি পুলিশ আকস্মিকভাবে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচির খবর পেয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে বিপুলসংখ্যক ফোর্স নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে পৌঁছায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। এ সময় পুলিশ রাহুল গান্ধীকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

কংগ্রেস নেতা পবন খেরা অভিযোগ করেছেন, ‘রাহুল গান্ধীকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, দিল্লি পুলিশ তা কংগ্রেসকে জানাতে চাইছে না। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে।’

advertisement

বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বিরোধী নেতাদের এই কর্মসূচির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে। তবে কংগ্রেস নেতারা এই অভিযোগ খণ্ডন করে বলেন, তাদের এই অবস্থান কর্মসূচি ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।

আটকের আগে বিকেল চারটার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী লিখেছিলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে চলে এসেছি। গতকাল ছাত্রদের ওপর হওয়া পুলিশি অত্যাচারের জবাব চাইতে আমরা এখানে এসেছি। এই সরকার কোনো দায় নিতে চায় না এবং সংসদে বিতর্কও চায় না। দেশের যুব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার অপরাধে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

advertisement

পরবর্তীতে বিকেল পৌনে ছয়টায় এক্সে ইংরেজি ও হিন্দিতে দেওয়া অপর এক বার্তায় রাহুল গান্ধী দেশবাসীকে এই ধরনায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘ছাত্রদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন তিনি বিনা জবাবদিহিতে পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু এবার তা হবে না। আমাদের ছাত্ররা সুবিচার পাক—এ কথা যারা বিশ্বাস করেন, আমি সেই প্রত্যেক দেশপ্রেমিক ভারতীয়কে অনুরোধ করব এই ধরনায় শামিল হতে। ভারতীয় ছাত্রদের আওয়াজ বিফলে যাবে না।’

এর আগে সোমবার ভারতের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করার সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ লাঠিপেটা করে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার শত শত শিক্ষার্থী ও সমর্থক আবারও যন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। আন্দোলনকারীরা জানান, পুলিশের এই বলপ্রয়োগ তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে।

 

  • সর্বশেষ