শিরোনাম
◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও) ◈ নিজের গ্যাস মাটির নিচে রেখে এলএনজি আমদানির মাফিয়াতন্ত্র: জ্বালানি খাতের অন্ধকার চিত্র(ভিডিও) ◈ তারেক রহমান ব্রিকসও এড়িয়ে যেতে পারেন ◈ ফ্লাইওভারে উঠতে গিয়ে বিপাকে পিংক বাস, এগিয়ে এলেন পুরুষচালক ◈ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টে‌স্টে বড় জয় ভারতের ◈ প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ: ডপলার রিসার্চের জরিপ

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩১ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

একই অভিযানে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মেয়ের এই অনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত থেকেও তাতে সম্মতি দেয়া এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও এই মামলার আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ডিএমপির গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, একটি চক্র অনলাইনে পর্নোগ্রাফি তৈরি করে ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করছিল।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ বা চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে সেসব ভিডিও ও ছবি বিক্রি করা হতো। গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে তারা বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত।

ডিবি কর্মকর্তা জানান, প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন রাতেই বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে একটি স্মার্টফোনসহ গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত ডিভাইসগুলো বিশ্লেষণের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করে বিস্তারিত তদন্ত চালানো হচ্ছে। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো প্রযুক্তিগত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এই চক্রের সঙ্গে আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

একই সঙ্গে অপরাধে জড়িতদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক লেনদেন ও সহযোগীদের বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য উদ্ঘাটনে জোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং পলাতক অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়