শিরোনাম
◈ বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা, দেড় লাখ টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ, শিশুসহ উদ্ধার ৪ ঘণ্টায় ◈ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের, ১৯৯৩ সালের ঘটনা ঘিরে বিতর্ক ◈ সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে দাঁড়ানো বাসে লরির ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৫ ◈ বিশ্বের সেরা এয়ারলাইনস ভিয়েতনাম ও বিমানবন্দরের খাবার হিথরো! ◈ বগুড়া আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা, টানাহেঁচড়ায় পরনের পোশাক ছিঁড়ে যায় (ভিডিও) ◈ বঙ্গোপসাগর ঘিরে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী টোকিও: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ কৌশলগত অংশীদারত্বে বাংলাদেশ-জাপান, জ্বালানি-আইসিটি ও গভীর সমুদ্রবন্দরে সহযোগিতা বাড়বে ◈ এএফসি কংগ্রেস নিয়ে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ◈ ইয়ামাল-এমবাপেকে পেছনে ফেলে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিত‌লেন হ‌্যা‌রি কেইন ◈ জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোনো অপরাধে ফিরছেন দাগি আসামিরা

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৮ দুপুর
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা, দেড় লাখ টাকায় নবজাতক বিক্রির অভিযোগ, শিশুসহ উদ্ধার ৪ ঘণ্টায়

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে নবজাতককে বিক্রির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানের মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—জোবেদা আক্তার সানজিদা, নজরুল ইসলাম মনির, স্বপ্না বেগম ও রিপন।

পুলিশ জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকট গ্রামের বাসিন্দা আবির হোসেনের (১৯) সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবির একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

পরবর্তী সময়ে তারুণীর পরিবার বিষয়টি আবিরের পরিবারকে জানায়। তখন আবিরের মা জোবেদা আক্তার সানজিদা (৩৫), চাচা নজরুল ইসলাম মনির (৪৮) এবং স্থানীয় মাতব্বর হাজী মোস্তফা মোল্লা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

গত ২৩ অক্টোবর চৌদ্দগ্রামের ‘প্রাইম’ নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ছেলেসন্তানের জন্ম দেন খাদিজা। এরপর নবজাতকের পিতৃপরিচয় গোপন করতে নবজাতাক বিক্রি করে দেন।

পুলিশের তথ্যমতে, এ ঘটনায় স্বপ্না বেগম, কাজী বাছির, মো. নাজিম উদ্দীন ও রিপনসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে হয়তো নবজাতককে কারও কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নবজাতককে উদ্ধারের সময় একশ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পও পাওয়া গেছে। সেখানে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে নবজাতককে অন্যত্র হস্তান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা আছে।

এ ঘটনায় তাদের ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা লুৎফর রহমান। এছাড়াও বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেয়েছে।

  • সর্বশেষ