শিরোনাম
◈ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ঠেকানো কঠিন: রেলমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা কতটা, কী কী শর্ত পূরণ জরুরি ◈ ৬৪৬ কোটি টাকার প্রকল্পে অগ্রগতি মাত্র ১৬ শতাংশ, দুই বছরেও শুরু হয়নি সিলেটের দুই গ্যাসকূপ খনন ◈ বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ টঙ্গীতে শিশু নির্যাতন: দেশ ছাড়ার কথা জানালেন শিশুটির বাবা রুমি ◈ স্পেনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর ◈ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ৫ বড় পরিবর্তন, সীমান্ত বন্ধ ও গণবহিষ্কারে জোর ◈ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ ◈ বাংলাদেশে হামের পর ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিওর ঝুঁকি, টিকাদান ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা ◈ পাখিরা আসছে, ইচ্ছেমতো খাচ্ছে, দোকানদার বলছেন—‘খাক, ঈশ্বর আমাকে অনেক দিয়েছেন’ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:১৭ সকাল
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এআই নিয়ে এত মাতামাতি, কোম্পানিগুলোর লাভ কোথায়?

প্রযুক্তি খাতের বাইরের বড় কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক আয় ও মুনাফায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বিশাল বিনিয়োগ আর ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও এ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর আর্থিক ফলাফলে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি বলে মনে করছেন শীর্ষ এক বিশ্লেষক।

অ্যাপোলো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান অর্থনীতিবিদ টরস্টেন স্লক সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের বাইরের বড় কোম্পানিগুলোর আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করেছেন।

টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এ ক্ষেত্রে তিনি এসঅ্যান্ডপি ৪৯৩-কে বিবেচনায় নিয়েছেন। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের তালিকা থেকে অ্যালফাবেট, অ্যামাজন, অ্যাপল, মেটা, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া ও টেসলাকে বাদ দিলে বাকি ৪৯৩টি কোম্পানি থাকে এ গোষ্ঠীতে।

‘এসঅ্যান্ডপি ৪৯৩’ তার নিজের দেওয়া নাম।

Advertisement

স্লকের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব কোম্পানির মুনাফার হার এবং কর্মীপ্রতি আয় প্রায় একই জায়গায় রয়েছে। অর্থাৎ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ফলে তাদের উৎপাদনশীলতা বেড়েছে, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

স্লক বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বিপুল বিনিয়োগ ও ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও প্রযুক্তি খাতের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের করপোরেট ব্যবসায় এ প্রযুক্তি কোনো আর্থিক সুফলই বয়ে আনেনি।”

তাহলে কি প্রযুক্তি খাতের বাইরের কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে? সরাসরি এমন ব্যাখ্যা দিতে গিয়েও স্লক দ্বিধা প্রকাশ করেছেন।

তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা ক্রমশ সস্তা হয়ে এলেও তা কাজে লাগিয়ে আয় ও মুনাফা বাড়ানো কোম্পানিগুলোর জন্য কঠিন হবে। শুধু কম খরচে তথ্য বিশ্লেষণ বা বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা থাকলেই ব্যবসায়িক সাফল্য নিশ্চিত হয় না।

স্লক লিখেছেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়তো একটি চমৎকার ক্যালকুলেটর হতে পারে, কিন্তু ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তা মূলত বিচারবোধের বিষয়।”

তিনি আরও লিখেছেন, “এআই জবাবদিহিতা বোঝে না। বিশ্বাস, সংস্কৃতি, অলখিত রেওয়াজ, নৈতিকতার সঙ্গে নেওয়া লেনদেনের সিদ্ধান্ত বা ন্যায্যতা সম্পর্কে এর কোনো ধারণা নেই আর মূলত এই বিষয়গুলোই সুনামের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করে এবং শেষ পর্যন্ত আয় ও মুনাফা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।”

স্লকের বক্তব্যের মূল কথা হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কাজের গতি বাড়ানো বা তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হলেও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মানুষের বিচারবোধ, আস্থা ও নৈতিকতার গুরুত্ব থেকেই যায়। ফলে এ প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করলেই যে কোম্পানির আয় ও মুনাফা বাড়বে, তা নিশ্চিত নয়।

সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 

  • সর্বশেষ