শিরোনাম
◈ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ শুরু ২১ জানুয়ারি, বাংলা‌দে‌শের প্রথম ম্যাচ আমিরাতের বিপক্ষে ◈ ২৫ অক্টোবর রিয়াদে ফ্লাইট চালু করছে বিমান ◈ ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগানে মুখর ফ্রান্সের রাজপথ, কারণ কী? ◈ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন, অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলত যেসব আয়োজন ◈ যে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাখ টাকা অনুদান দেবে সরকার ◈ টানা ছুটিতে জমজমাট কক্সবাজার, পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ◈ কুমিল্লার লাকসামে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের ৩ বগি লাইনচ্যুত, আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ◈ সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ যুদ্ধ এড়াতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তান ও কাতারের নতুন মধ্যস্থতা প্রস্তাব ◈ সন্ধ‌্যায় বাংলা‌দেশ-আফগা‌নিস্তান মু‌খোমু‌খি, ফাইনালে যেতে টাইগার‌দের সামনে কঠিন সমীকরণ

প্রকাশিত : ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:২৯ রাত
আপডেট : ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারি সহায়তা পেয়েও থামছে না জেলেদের ইলিশ শিকার

মিজান লিটন : মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশব্যাপী ২২ দিনের ইলিশ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে।

ইতিমধ্যেই জেলেদেরকে সরকারি খাদ্য সহায়তার ২৫ কেজি করে চাল তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই খাদ্য সহায়তা পেয়েও  চাঁদপুরের কিছু অসাধু জেলে  প্রকাশ্যে ইলিশ শিকার করছে। জেলা সদরের পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে  দিন-রাত  নৌকা দিয়ে  অসাধু জেলেরা মাছ শিকারের এমন চিত্র দেখাযায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাইমচর থেকে শুরু করে চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার মেঘনা নদীর অংশ এবং শরীয়তপুর জেলার চাঁদপুর নৌ-সীমানাবর্তী এলাকায় দিন-রাত সমানতালে চলছে অবৈধ ইলিশ শিকার। একশ্রেণির লোভী ও অসাধু জেলে আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে নদী চষে বেড়াচ্ছে। মা ইলিশ রক্ষায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ প্রতিনিয়ত নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে। তারা নিষেধাজ্ঞা শুরুর পরথেকে  নদীপথের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে বহু অসাধু জেলেকে হাতেনাতে আটক করেছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার নৌকা জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আটককৃত অসাধু জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উদ্ধারকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে এবং জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের সার্বক্ষণিক টহল সত্ত্বেও অসাধু চক্রটির তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও সীমানাবর্তী এলাকাগুলোতে অভিযান শেষ হওয়া মাত্রই জেলেরা পুনরায় নদীতে নেমে পড়ছে। এতে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন ও অভয়াশ্রম সুরক্ষা চরম হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশীয় ইলিশের বংশবৃদ্ধি ও রাজস্ব সুরক্ষায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান কঠোরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো অসাধু জেলে বা চক্রকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং নদীতে সার্বক্ষণিক যৌথ বাহিনীর স্পিডবোট ও টহল রয়েছে। 

Advertisement

চাঁদপুর জেলা টাস্কফোর্সের অভিযান প্রতিনিয়তই অব্যাহত রয়েছে।

সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মির্জা ওমর ফারুক ও নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ আজমগীর হোসাইন জানান, আমরা ট্রাক্সফোর্সে সমন্বয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছি এরপরও কিছু অসাধু জেলে আমাদের  চোখে ফাঁকি দিয়ে যদি নদীতে নেমে থাকে তাহলে তাদেরকে চিহ্নিত করে অবশ্যই  আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে কোন অবস্থাতেই এদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রশাসনের সতর্ক অভিযানের পরও এই অবাধ ইলিশ শিকার অব্যাহত থাকায় ইলিশের প্রাকৃতিক প্রজনন চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন পরিবেশ ও মৎস্য বিশেষজ্ঞরা।

  • সর্বশেষ