শিরোনাম
◈ সংসদে চার গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে অভিজ্ঞদের প্রাধান্য ◈ ট্রেনে স্টারলিংকের ৬০ রাউটারের ৪৫টিই চুরি, নিয়ে গেছে অ্যানটেনাও ◈ যে কারণে হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করা হয়, জানালেন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকা ওই যুবক ◈ বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে সংসদে তর্ক-বিতর্ক, শেষমেশ নাম বাদ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রফতানিতে কমছে দাম, বাড়ছে ব্যয় ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের হামের টিকার ভুল দরপত্র নীতিতেই শিশুদের প্রাণহানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বন্ধ নয়, নিয়ন্ত্রণে জোর: অটোরিকশায় আসছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ◈ ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সংসদে ◈ আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ◈ এবার রৌমারীতে ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পটিয়ায় নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ

মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে কৃষকদের কাছে সার বিক্রির অভিযোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক বিসিআইসি সার ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। জেলা এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রির সত্যতা পাওয়ার পর এ জরিমানা করা হয়।

গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের ভট্টাচার্যহাট সংলগ্ন অইল্লারটেক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন পটিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা এনএসআই, চট্টগ্রামের একজন সদস্যও অভিযানজুড়ে অংশ নিয়ে বিষয়টি নজরদারি করেন।

অভিযানে মেসার্স হাজী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম নামের দোকানের মালিক ও বিসিআইসি সার ডিলার হাজী মো. রফিকুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯-এর ৪০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেলিশহর ইউনিয়নের অইল্লারটেক এলাকায় কয়েকজন খুচরা সার বিক্রেতা ও ডিলারের বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের দাম ২৭ টাকা হলেও এলাকায় তা ৩২ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে টিএসপি (তিউনিসিয়া) সার ২৭ টাকার পরিবর্তে ৪০ থেকে ৪৮ টাকা, ডিএপি ২১ টাকার পরিবর্তে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং এমওপি ২০ টাকার পরিবর্তে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি ভর্তুকিতে কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সারের সুবিধা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পটিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষকদের স্বার্থে নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

  • সর্বশেষ