কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে জোট বেঁধে ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। তবে বাকি সার এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সার বিক্রির জন্য ডিলার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল। তাঁর নামে মোট ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে গুদামে ৩৪০ বস্তা সার মজুত ছিল।
আজ সকাল থেকেই সার কেনার জন্য ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্টের দরজা না খোলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তারা। একপর্যায়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সার নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় তারা ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা বাকি সার রক্ষা করে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৩২০ বস্তা। বাস্তবে উত্তোলন করা সার আরও কম ছিল। ফলে কৃষকেরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থামায়। এর মধ্যে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উৎস: সমকাল।