শিরোনাম
◈ বিনিয়োগে স্থবিরতা, প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ বিএনপির সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জে এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প চালুর নির্দেশ ◈ দেশে ৩৭ শতাংশের বেশি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে ◈ সৌদি আরবের সংকটে শাহজালালে সরাসরি ও ট্রানজিটের ৮২ ফ্লাইটযাত্রায় বিঘ্ন, ভোগান্তিতে ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী ◈ ২ দিন বন্ধের ঘোষণায় সংকট, বেশি দামেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ◈ ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না, জানালেন আইনমন্ত্রী ◈ ডিসি-এসপির সহায়তায় ৩০ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন চুয়েট উপাচার্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান (ভিডিও) ◈ দুর্দান্ত লড়াই করে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে ম্যাচ ড্র করলো আফগানিস্তান ◈ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে কামড়, বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলিউড অভিনেত্রী

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৫২ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে গ্রামে ২০০ বছর ধরে নির্বিঘ্নে বাস করছে হাজারো পাখি

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটির পশ্চিম ডাঙ্গাপাড়া গ্রামটি এখন সবার কাছে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত। চারদিকে সবুজের সমারোহ, তার মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক বাঁশঝাড়। যার প্রতিটি ডালপালায় এখন সাদা বক, পানকৌড়ি, রাতচরা, ঘুঘু আর শালিকের মেলা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায় ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এখানে ঘর বেঁধেছে হাজার হাজার পাখি। প্রায় ৪ একর ২০ শতাংশ জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বাঁশঝাড়টি এখন পাখিদের এক অভয়াশ্রম। পাখিদের এই দীর্ঘস্থায়ী বসবাসের কারণে গ্রামের আদি নাম ছাপিয়ে এখন সবাই একে পাখির গ্রাম নামেই চিনে ।

পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই এখানে পাখিরা নির্বিঘ্নে বসবাস করে আসছে। বর্তমানে এটি তাদের চতুর্থ পুরুষ যারা পাখিদের এই আশ্রয়স্থল আগলে রেখেছেন। প্রতিদিন ভোরে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে গ্রামবাসীর। সন্ধ্যা নামলে হাজার হাজার পাখির ডাকার শব্দ আর কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

স্থানীয় বাসিন্দা মাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার দাদার আমল থেকেই আমরা এই পাখিগুলোকে দেখে আসছি। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করি কেউ যেন পাখিদের ক্ষতি না করে। তবে ইদানীং কিছু অসাধু শিকারি ও পর্যাপ্ত সংরক্ষণের অভাবে পাখিদের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আমরা চাই সরকার এই এলাকাটিকে সরকারিভাবে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে সীমানা প্রাচীর ও নজরদারির ব্যবস্থা করুক। 

Advertisement

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন বলেন, এই গ্রামে প্রায় প্রতিদিন অনেক দর্শনাথী এখানে আসেন পাখিগুলো দেখতে। আমরা গ্রামের সবাই মিলে চেষ্টা করি যাতে এই পাখিগুলোকে কেউ বিরক্ত না করে, সবাই সেদিকে নজর রাখি। 

দর্শনার্থী আবু হোসেন বলেন, এখানে বসার স্থান নাই, এসে যে গভীরভাবে পাখির ডাক শুনবো সেটি হয়ে ওঠে না। বসার স্থান থাকলে সবাই পাখির ডাকসহ বিভিন্ন বিষয় উপভোগ করতে পারতাম। 

এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, চিলাহাটির এই পাখির অভয়াশ্রমটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সেখানে একটি পুকুর খননসহ কিছু সংস্কার কাজ করা হয়েছে। বন বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এই পাখির গ্রামটিকে আরও কীভাবে পর্যটনবান্ধব ও নিরাপদ করা যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট 

  • সর্বশেষ