শিরোনাম
◈ সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও বিক্রিতে লাগবে বাবা-মায়ের সম্মতি: আইনমন্ত্রী ◈ শুধুমাত্র তারেক রহমানের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি, আর কারও মধ্যে পরিবর্তন ঘটেনি: মির্জা ফখরুল(ভিডিও) ◈ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি, দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোপে বাড়ছে ঝুঁকি ◈ জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ ◈ শ্রমবাজার খুলতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার ঐকমত্য, বাদ বিতর্কিত এজেন্সি ◈ ৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ ◈ পিপিপি মডেলে দুই মেগা সেতু নির্মাণে জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব, ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা ◈ আরব-আমিরাতে ভিসা বাতিল নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রকৃত চিত্র তুলে ধরল সরকার ◈ রপ্তানি নীতিতে বড় পরিবর্তন, সুবিধা পাবে ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স ব্যবসায় ◈ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন ২৩ বাংলাদেশি

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তার অপরাধ জগতের নেটওয়ার্ক, অস্ত্রের উৎস, চাঁদাবাজির অর্থের প্রবাহ, তদবিরকারীদের টাকার ভাগ দেওয়া এবং ভারতে পালানোর পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ভারতে ডেভিড ইমনের জন্য ‘আজহার খান’ নামে তৈরি করা হয়েছে আধার কার্ড।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, গ্রেপ্তারের সময় ডেভিড ইমনের কাছ থেকে ভারতের একটি আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সাজ্জাদ আলীর পরামর্শেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং সীমান্তের ওপারে তাকে গ্রহণ করার জন্য লোকজনও প্রস্তুত ছিল। উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডে ‘আজহার খান’ নামে একটি পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে ভারতের নাগরিক পরিচয়পত্রের আদলে একটি ছবি, জন্মতারিখ ও পরিচয় নম্বর রয়েছে।

তিনি জানান, তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন কার্ডটি আসল, নকল নাকি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের জন্য কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালানো হয়। ডেভিড ইমন ও সন্ত্রাসী রায়হান নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে চাঁদাবাজি পরিচালনা করতেন।

ডেভিড ইমন চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় এবং রায়হান চট্টগ্রাম জেলা এলাকায় চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করতেন। একজনের এলাকায় অন্যজন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন না। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা, নজরদারির ভিত্তিতে যশোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- ফটিকছড়ির উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মোবারক হোসেন ইমন প্রকাশ ডেভিড ইমন (২৫), কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের মো. শামীম (২৮), ঢাকার শ্যামপুরের আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির মো. সাফায়েত হোসেন (২৪)।

ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৩টি
মামলা রয়েছে। এছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রাম মহানগরের একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়েও তদন্ত চলছে।

তবে ইউপিডিএফের কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার এবং ভারতে অবস্থানরত সাজ্জাদ আলীর কাছে অর্থ পাঠানোর অভিযোগগুলো এখনও তদন্তাধীন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়