শিরোনাম
◈ বারণ করলে উল্টো হুমকি দেন যাত্রীদের স্বজনরা : শাহজালাল বিমানবন্দরে শৃঙ্খলা ফেরাতে অসহায় প্রশাসন ◈ তিস্তা প্রকল্প ও লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি ইস্যুতে নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি ◈ নারী কাবাডিতে নেপালের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা, জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাসে ভাসল স্টেডিয়াম ◈ খেতাবপ্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার নতুন হার নির্ধারণ ◈ দীর্ঘ ৪৪ বছরের পলাতক জীবন, যেভাবে ধরা পড়লেন জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোজাফফর ◈ জ্বালানি আমদানি কমাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ◈ চাকরির নামে মানবপাচার, কম্বোডিয়ায় সাইবার দাসত্বের শিকার বাংলাদেশিরা ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ ভিসার নামে ৫০ কোটি টাকা প্রতারণা, শত শত শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ ◈ বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ জুলাই, ২০২৬, ০৮:১০ রাত
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডো, আতঙ্কে ছোটাছুটি

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে হঠাৎ আঘাত হেনেছে একটি টর্নেডো। এতে সৈকতে পর্যটকদের জন্য রাখা ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে টর্নেডোটি সুগন্ধা পয়েন্টে আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন থেকে পাঁচ মিনিট স্থায়ী হওয়া টর্নেডোর সময় সৈকতে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করেন। মুহূর্তেই প্রবল ঘূর্ণিবাতাস সৈকতের চেয়ার ও ছাতাগুলো ছিটকে ফেলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।

কক্সবাজার বিচ কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, টর্নেডোটি সাগরের দিক থেকে ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগিয়ে এসে সৈকতে আঘাত হানে। এতে পর্যটকদের ব্যবহারের ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ভেঙে যায়।

তিনি বলেন, ঘটনাটি খুব অল্প সময়ের হলেও টর্নেডোর তীব্রতায় সৈকতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সৌভাগ্যবশত কোনো পর্যটক বা ব্যবসায়ী হতাহত হননি।

তবে এ ব্যাপারে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন,সাগরপারে দেখা ঘূর্ণি বাতাস আসলে একটা টর্নেডো।  আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্যারের সাথে কথা বলে এটা নিশ্চিত হয়েছি। তবে দুর্বল প্রকৃতির টর্নেডো এটা। এগুলো সাধারণত খুবই ধ্বংসাত্মক হয় এবং দ্রুত সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় আসতে হয়। এর কবলে পড়লে মৃত্যু প্রায় অবধারিত। হাতির শুরের মত যা থাকে তা যা  স্পর্শ করবে, তাকে ১০০ ফুট বা আরো উপরে নিয়ে ফেলবে এবং সবকিছু দুমরে মুচরে ফেলে।

পৃথিবীর মধ্যে এটা এমেরিকা তে টর্নেডো বেশি হলেও বাংলাদেশে দেখা যায়। এমনকি পৃথিবীর ভয়াবহতম টর্নেডো বাংলাদেশেই হয়েছে। নেটে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। সাধারণত গৃষ্মকালে টর্নেডো গেলেও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে অন্য সময়েও হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়