গত ৪ দিন ধরে বরিশালের নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে একে একে নদ-নদীগুলো জোয়ারের সময় পানির লেভেল বিপদসীমা অতিক্রম করছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে ১২টি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি বিজ্ঞান বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণাঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হয়। পাউবো কীর্তনখোলা, সুরমা, মেঘনা, বলেশ্বর, তেতুলিয়া, বিষখালী, তুলাতলি, টরকী, কচা, পায়রাসহ ১২ টি নদীর ১৩টি পয়েন্টে পানি পরিমাপ করে।
জোয়ারের সময় মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ৮টি পয়েন্টে পানির উচ্চতা বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তবে পানির লেভেল ভাটার সময় বিপদসীমার নিচে নেমে যায়। প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, আমাবশ্যার প্রভাবে এ অবস্থা আরও দুইদিন অব্যাহত থাকবো। পানি আরও কিছুটা বাড়তে পারে।
এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়া চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কীর্তণখোলার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় ড্রেনের মাধ্যমে বিকালে নগরের কিছু কিছু সড়কে জোয়ারের পানি ঢুকে যায়। পানি আরো বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে।
বরিশাল আবহাওযা অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক উচ্চবেক্ষক মো. আনিচুর রহমান বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের আবহাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে। নিম্নচাপ কিম্বা লঘুচাপ নেই।
তবে সাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্র বন্দরে ৩ নং ও নদী বন্দরে ১ নং সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়েছে।’